
ওয়েবডেস্ক :: পার্লামেন্টেও গিয়েছিলাম। বিধানসভায় গিয়েছি। এটা আর নতুন কী? দিদিমণির পাঠশালায় ডেকেছে, যাবও।’ বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
তিনি আরও বলেন, ‘নানারকম দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের আত্মীয়া টাকা পেয়েছে। আমরা বিডিও থেকে লিস্ট জোগাড় করার চেষ্টা করছি সব। সেই সব নিয়ে বলব। আমাদের কর্মীরা বার বার আক্রান্ত হচ্ছে। ত্রাণ দিতে গিয়ে।
প্রসঙ্গত, মাত্র তিন মিনিটের ফোন কলেই সম্পর্কের বরফ গলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। গত সোমবার দিলীপ ঘোষকে ফোন করে সর্বদলীয় বৈঠকে আসার আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আর সেই ফোন পেয়েই সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করে বৈঠকে আসার বিষয়ে সম্মতি জানান দিলীপ ঘোষ। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদলীয় বৈঠকে নিজের মতামত রাখবেন বলেও জানান দিলীপ।
দুজনের এই কথোপকথনের বিষয় বেশ আলোচ্য বিষয় হয় রাজ্য রাজনীতিতে। যা নিয়ে এদিন কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ। সর্বদলীয় বৈঠককে ‘দিদিমণির পাঠশালা’ বলেছেন তিনি।
এদিন দিলীপ ঘোষ ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের করোনায় মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে বলেন, ‘তমোনাশ ঘোষের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। ১ মাস তিনি চিকিত্সাধীন ছিলেন।
সরকার ভিআইপিদেরও চিকিত্সা সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে পারছে না। এটা ব্যর্থতা। শাসকদলের বিধায়ক ও সাংসদরা আক্রান্ত হচ্ছে। কারণ তারা সোশ্যাল ডিসটেন্স মানছেন না। কারণ, মুখ্যমন্ত্রীও মানছেন না। অথচ আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছেন।
সুত্র: সংবাদ প্রতিদিন



