মদন মিত্রের শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক, কড়া নজর রাখছেন চিকিত্সকরা

নারদ মামলায় (Narada Case) গ্রেফতার হওয়ার কিছুদিন আগেই করোনামুক্ত হয়েছিলেন মদন মিত্র (Madan Mitra) । তবে করোনার (Corona Virus) সংক্রমণের জেরে তাঁর ফুসফুস (Lungs) ক্ষতিগ্রস্ত (Damage) হয়েছে। করোনামুক্ত হলেও কামারহাটির তৃণমূল (Tmc) বিধায়কের ফুসফুসে ক্ষত তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। সেই ক্ষত সারাতে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে কড়া ডোজের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
চিকিত্সকরা তাঁর শারীরিক গতিবিধির উপর নজর রাখছেন। এরই পাশাপাশি এসএসকেএমে চিকিত্সাধীন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় (Subrata Mukherjee) মানসিক উত্কণ্ঠায় রয়েছেন। ৭৪ বছর বয়সী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তাঁর এই উত্কণ্ঠা নিয়ে উদ্বেগে চিকিত্সকরা। নারদ মামলায় ধৃত (Arrest) শোভন চট্টোপাধ্যায়ও (Sovon Chatterjee) একই হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর লিভারের (Liver) সমস্যা ধরা পড়েছে।
এখন আর জেল হেফাজতে থাকতে হবে না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত গৃহবন্দি (House Arrest) থাকবেন চার হেভিওয়েট রাজনীতিবিদ। তবে গৃহবন্দি থাকা অবস্থায় এই চারজনের সঙ্গে যে বা যাঁরা দেখা করতে আসবেন তাঁদের প্রত্যেকের নামের তালিকা তৈরি করে রাখতে হবে।
নারদ মামলায় গ্রেফতার হওয়া সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) , মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের বাড়িতে সিসি টিভি ক্যামেরায় নজরদারি চালাতে হবে। তবে বাড়ি থেকে ভার্চুয়ালি কাজ করতে পারবেন এই চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী। কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata Highcourt) এদিন নারদ মামলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে, গ্রেফতার হওয়ার পরপরই অসুস্থ হওয়ায় আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করা শোভন চট্টোপাধ্যায়ও একই হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন রাজ্যের আর এক মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আজ কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলার শুনানিতে তাঁদের জেল হেফাজত থেকে রেহাই দিয়েছে। নারদ কাণ্ডে ধৃত চার হেভিওয়েট নেতাকে আপাতত গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসএসকেএমে ভর্তি রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। এঁদের মধ্যে মদন মিত্রের শারীরিক পরিস্থিতিই বেশি ভাবাচ্ছে চিকিত্সকদের। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সম্প্রতি করোনামুক্ত হলেও তাঁর ফুসফুসে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। ফলে তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়তে চাইছেন না চিকিত্সকরা।
বরং আরও বেশ কয়েকদিন এসএসকেএমে ভর্তি রেখে মদন মিত্রের চিকিত্সা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে এসএসকেএমে থাকা সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায় হাসপাতালে থেকে চিকিত্সা করাবেন নাকি তাঁরা বাড়ি ফিরে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি।
সুত্র : কলকাতা ২৪×৭



