রাজ্য

‘সমাজের এত গভীরে যাঁদের শিকড়, তাঁদের পালানোর প্রশ্ন কোথায়? নারদ মামলায় সওয়াল আইনজীবির

‘সমাজের এত গভীরে যাঁদের শিকড়, তাঁদের পালানোর প্রশ্ন কোথায়? নারদ মামলায় সওয়াল আইনজীবির - West Bengal News 24

গত সপ্তাহেই চার হেভিওয়েট নেতা ববি হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্ট্যোপাধ্যায়ের আদালতে হাজিরার পর শুনানি শেষ হয় সেদিনের মত। আজ আবার এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে শুরু হয়েছে নারদ মামলার শুনানি। চার হেভিওয়েট নেতাদের হয়ে এদিন সওয়াল জবাব শুরু করছেন আইনজীবি অভিষেক মনু সিংভি। ইতিমধ্যেই নারদ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের নির্দেশে জামিনে বাইরে রয়েছেন চার নেতা।

এদিন সওয়াল জবাবের শুরুতেই অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, ‘জামিনের আবেদন বিবেচনা করার ক্ষেত্রে ৬০০ বছরের পুরনো পদ্ধতি রয়েছে। তাতে অভিযুক্তদের পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা, অসহযোগিতা ও তথ্য-প্রমাণ লোপাটের বিষয় বিবেচনা করেন বিচারপতিরা।

ঘটনার এত বছর পরে তথ্য-প্রমাণ লোপাট বা অসহযোগিতার কোনও সম্ভাবনা থাকে না। সমাজের গভীরে শিকড়ে রয়েছেন এই ৪ নেতা-মন্ত্রীর। তাঁরা পালিয়ে যেতে পারেন না।’ এই মামলা নিয়ে বারবার ভিন রাজ্যে স্থানান্তর ও প্রভাবশালী তকমা দিয়ে অন্য রূপ দিতে চাইছে সিবিআই-এর আইনজীবি। এই নারদ মামলা ভিন রাজ্যে যাবে কিনা সেই নিয়ে চলছে টানা সওয়াল জবাব।

চার নেতার আইনজীবি অভিষেক মনু সিংভির সওয়ালের পর বিচারপতি রাজেশ বিন্দল জিজ্ঞাসা করেন, ‘১৭ মে আইনমন্ত্রী নিম্ন আদালতে গিয়েছিলেন। তিনি কি ওখানে রোজ যান? নির্দিষ্ট এজলাসে থাকুন বা না থাকুন, তিনি আদালত চত্বরে ছিলেন। তিনি কি বিচারব্যবস্থাকে মানেন না? আদালতে গিয়েছিলেন কেন?’ যার জবাবে আইনজীবি অভিষেক উত্তর দেন, ‘এটা সাধারণ মানুষ বা রাজনৈতিক কর্মীদের দ্বারা সংগঠিত বিক্ষোভ নয়।

এটা সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত বিক্ষোভ। প্রভাবিত হওয়ার কোনও উল্লেখ নিম্ন আদালতের বিচারক করেননি।’ সিংভির এই যুক্তির পাল্টা বিচারপতি বিন্দাল প্রশ্ন করেন, ‘উদাহরণ দেখাতে পারবেন, যেখানে বিচারক বলছেন আমি প্রভাবিত হয়েছি। আমাদের তো জানা নেই।’

সূত্র : এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য