‘দয়া করে দাড়ি কামান’, প্রধানমন্ত্রীকে ১০০ টাকা পাঠালেন মুম্বইয়ের চা বিক্রেতা

প্রধানমন্ত্রীকে (Prime Minister) মানি অর্ডার করে ১০০ টাকা পাঠালেন চা বিক্রেতা। আর লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) যেন অবশ্যই যেন তাঁর দাড়ি কাটেন। মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) বারামতীর বাসিন্দা অনীল মোরে। পেশায় চা বিক্রেতা।
ইন্দাপুরে বেসরকারি একটি হাসপাতালের (Private Hospital) উল্টোদিকে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান চালান অনীল। করোনার (covid-19) জেরে লকডাউনে (lockdown) সেই ব্যবসাতেও ভাঁটা পড়েছে। কোনওমতে এখন দিন গুজরান করেন অনীল ও তাঁর পরিবার। লকডাউনে যে তাদের মতোই নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। তাই একপ্রকার রেগেই তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ১০০ টাকা পাঠান। আর লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দয়া করে দাড়িটা কামিয়ে ফেলুন আর দেশের উন্নয়ন, দারিদ্র সমস্যা সমাধানে নজর দিন।’
চা বিক্রেতার মতে, প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) নিজের দাড়ি না বাড়িয়ে কর্মাসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পারে। গত দুটি লকডাউনের (lockdown) প্রচুর মানুষ সমস্যায় পড়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আগে তা দূর করা উচিত। দাড়ি বাড়ানোর বদলে ওনার উচিত দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো মজবুত করা। টিকাকরণের (vaccination) গতিওতো বাড়াতে পারেন।
তবে তাঁর মতে প্রধানমন্ত্রীকে এই টাকা তিনি অসম্মান করার জন্য পাঠাচ্ছেন না। ১০০ টাকা মানি অর্ডার করার প্রসঙ্গে অনীল বলেন, নিজের জমানো টাকা থেকে তিনি ১০০ টাকা প্রধানমন্ত্রীকে পাঠাচ্ছেন, যাতে প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) দাড়ি কামিয়ে আসল সমস্যাগুলির দিকে নজর দেয়। পাশাপাশি অনীল এও জানান যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে যথেষ্ঠ সম্মান করেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ নেতা। তাই তিনি তাঁকে আঘাত করতে চান না।
তবে তাঁর এই মানি অর্ডারের একটাই উদ্দেশ্য, মহামারির (Pandemic) জেরে দিনদিন দেশে যেভাবে দারিদ্র সমস্যা বেড়ে চলেছে তাঁর দিকে প্রধানমন্ত্রী একটু নজর দেন। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি একটি চিঠিও লেখেন, তাতে তিনি করোনায় (covid-19) যে সমস্ত পরিবারের সদস্যরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের ৫ লক্ষ টাকা এবং লকডাউনে সহায় সম্বলহীন পরিবারের জন্য ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
সুত্র : কলকাতা ২৪*৭



