ত্রিপল চুরি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

বলেছিলেন ‘শুভেন্দু অধিকারীর এত খারাপ সময় আসেনি যে ত্রিপল চুরি করতে হবে।’ আর সেই ত্রিপল চুরির মামলায় পিঠ বাঁচাতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিছুদিন আগে এক তৃণমূল নেতা কন্টাই থানায় শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তাঁর দাবি ছিল ‘যশ’ ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রিপল দিতে কাঁথি পুরসভায় যে ত্রিপল রাজ্য সরকার পাঠিয়েছিল তা চুরি করেছেন শুভেন্দু। নিজের নামে চালাবে বলে সরকারি লোগো দেওয়া ত্রিপল চুরি করেছেন তিনি। সেই অভিযোগে মামলা শুরু হয়।
জুন মাসের এক তারিখে থানায় লিখিত ভাবে কাঁথি পুরসভার পুর প্রশাসক রত্নদ্বীপ মান্না অভিযোগ করেন, হিমাংশু মান্না ও প্রতাপ দে নামের দুই শুভেন্দু অনুগামী পুরসভা থেকে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল চুরি করে। সেই ত্রিপল নিজের নামে চালিয়ে বিতরন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় হাত ছিল তাঁর ভাই সৌমেন্দুর। তাই পুরসভার নিরাপত্তা রক্ষীর সাহায্যে পুরো ঘটনা ঘটেছে।
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা শুরু করলে, আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। তিনি আর্জি জানান, এই মামলা যেন খারিজ করে দেওয়া হয়, বাতিল করা হয় তদন্ত। কিন্তু আদালত শুভেন্দুর আর্জি খারিজ করে এই তদন্ত চালাতে নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ২২ তারিখ এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত।
শুভেন্দুর দাবি, এটা তৃণমূলেরত প্রতিহিংসার রাজনীতি। পুরসভার নিরাপত্তা রক্ষী জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা ত্রিপল শুভেন্দু অধিকারীর নিজের পয়সায় কেনা। তাই চুরির কথাই ওঠে না। পাল্টা রত্নদ্বীপ মান্না দাবি করেছেন, শুভেন্দু বাবুর কেনা হলে সরকারি লোগো থাকবে কেন?
সুত্র : এই মুহুর্তে



