টলিউড

হাউহাউ করে কাঁদছেন কাঞ্চন, আনলেন স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ

 

হাউহাউ করে কাঁদছেন কাঞ্চন, আনলেন স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ - West Bengal News 24

কমেডিয়ান হিসেবেই তাঁর পরিচয় ইন্ডাস্ট্রিতে। মজা করে বলতেন, ‘ছোট বেলায় বাবা বলত বড় হয়ে তুই লোক হাসাবি! আমি সেটাই করি।’ সেই কাঞ্চন মল্লিক এখন আর শুধু অভিনেতা নন। নেতাও বটে। একুশের ভোটে উত্তরপাড়া থেকে তৃণমূল বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। কিন্তু গতকাল থেকেই তোলপাড় শুরু হয়েছে।

কাঞ্চন এবং তাঁর স্ত্রী পিঙ্কির দাম্পত্য কলহ কার্যত কলতলার ঝগড়ায় পরিণত হয়েছে। পিঙ্কির অভিযোগ, শ্রীময়ী চট্টরাজ নামক এক টেলি অভিনেত্রীর সঙ্গে কাঞ্চন অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। দু’জনের বিরুদ্ধে তাঁর উপর হামলারও অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি। থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়ে গিয়েছে বিষয়টি। কিন্তু এদিন কাঞ্চন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, আসলে পিঙ্কিই পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। তিনি প্রেম করছেন। তাই কাঞ্চনের নামে অপবাদ দিয়ে নিজের রাস্তা পরিষ্কার করতে চাইছেন পিঙ্কি।

কাঞ্চন যখন স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পাল্টা অভিযোগ আনছেন তখন এ ব্যাপারে পিঙ্কির প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁকে ফোন করা হয়েছিল। তিনি ফোন ধরেননি। কাঞ্চন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন পিঙ্কি তাতে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন।

একা একা ঘরে হাউহাউ করে কাঁদছেন। অসহায় অবস্থা তাঁর। অভিনেতা বিধায়ক এও বলেছেন, তাঁর গায়ে যে কালি লাগিয়ে দেওয়া হল এবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে দাঁড়াবেন কী করে! কাঞ্চনের এই ঘটনা সামনে আসার পর উত্তরপাড়া তথা হুগলি তৃণমূলেও অস্বস্তি শুরু হয়েছে।

যদিও কোনও নেতাই মুখ খুলছেন না প্রকাশ্যে। কাঞ্চন আরও কিছু অভিযোগ এনেছেন তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, বিধায়ক হওয়ার পর পিঙ্কির দাবির বহর বেড়ে গিয়েছিল। পিঙ্কি নাকি মাসে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দাবি করেছেন কাঞ্চনের থেকে। সেই সঙ্গে বলেছেন, তাঁদের ছেলেকে যে আয়া দেখেন তাঁর ভাইকেও চাকরি করে দিতে হবে।

উত্তরপাড়ার বিধায়ক এও দাবি করেছেন, লকডাউনের সময়ে দু’লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়িতে। সেইসঙ্গে রেশনও কিনে দিয়েছিলেন। তাঁর আক্ষেপ, সব ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র নিজের পরকীয়ার রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য পিঙ্কি জনসমক্ষে তাঁর নামে কালি লাগাচ্ছেন।

সূত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য