
রাজ্যপালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি বলেছেন, হাওয়ালা জৈন মামলার চার্জশিটে নাম ছিল জগদীপ ধনকড়ের। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পাল্টা দিতেই রাজভবন থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যপাল। সেখানে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তিনি আনলেন আরও একগুচ্ছ অভিযোগ।
হাওয়ালা জৈন মামলার চার্জশিটে তাঁর নাম ছিল না বলেই জানিয়েছেন ধনকড়। সেই সঙ্গে অজিত পাঁজা, যশোবন্ত সিনহাদের মতো শাসকদলের নেতৃত্বের নাম করেছেন তিনি। তাঁরা সকলেই ওই মামলার চার্জশিটে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। যদিও এঁদের কারও বিরুদ্ধেই অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। এদিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ তুলেছেন ধনকড়।
তিনি জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে গিয়ে এমন পরিস্থিতি দেখে এসেছেন রাজ্যপাল তা অবর্ণনীয়, এবং কল্পনাতীত। সেখানে গণতন্ত্রের হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনও হয়নি। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের আগেই জিটিএ-র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যপাল।
পাশাপাশি অতিমারী আবহে কোভিড সামগ্রী কেনার টাকা নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যপাল। তাঁর প্রশ্ন এই খাতে যে ২ হাজার কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে তা কীসে কীসে ব্যয় করা হয়েছে? উল্লেখ্য গতকাল অনুরূপ ইঙ্গিত করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও।
এছাড়া, অন্ডাল বিমানবন্দর প্রসঙ্গও এদিন টেনে আনেন ধনকড়। রাজ্যপাল বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রথম নাগরিক হিসেবে আমি কারও সামনে মাথা নোয়াবো না। শুধু ভারতীয় সংবিধানের সামনেই আমার মাথা নত হবে। রাজ্যপাল হিসেবে এটাই আমার কাজ যে কখনও কোনও কিছু নিয়ে আশঙ্কা হলে সেদিকে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। এটাই আমার কাজ।’
সূত্র : দ্য ওয়াল



