
প্রেমিকার তুলনায় প্রেমিকের বয়সটা কম হওয়ার ব্যাপারটা কিছু বছর আগে বেশ অস্বাভাবিক মনে হলেও এখন এই ব্যাপারটি বেশ সাধারণ। বয়সে ছোট প্রেমিক বা স্বামী নিয়ে মেয়েদের নানা রকমের কথা শুনতে হলেও এমন সম্পর্ক আজকাল অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে প্রেমিক বা স্বামী পুরুষটি তাঁর সঙ্গিনীর চাইতে বয়সে অনেকটাই ছোট। এসব নিয়ে সামাজিক বা পারিবারিক সমস্যার কথা বাদ রাখুন, প্রেমিক বয়সে ছোট হলে কেবল তাঁর কারণেই বা তাঁকে নিয়ে আপনার হতে পারে কিছু মারাত্মক সমস্যা। আসুন, জেনে নিই প্রেমিক বয়সে ছোট হলে কী কী মোকাবেলা করতে হবে আপনাকে।
১) এটা সকলেই জানেন যে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মানসিক পরিপক্কতা আগে আসে। সমবয়সী একটু ছেলের তুলনায় একই বয়সের একটি মেয়ের মানসিক পরিপক্কতা কিন্তু অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে প্রেমিক যখন বয়সে ছোট হয়, তখন বলাই বাহুল্য যে তখন ম্যাচিউরিটির একটা পার্থক্য বেশ বড় আকার ধারণ করে। এক্ষেত্রে সম্পর্কে শান্তি ধরে রাখবে কেবল আপনাদের মাঝে একান্ত বোঝাপড়া।
২) বয়সে বড় হওয়ার কারণে নিজের অজান্তেই মেয়েদের মাঝে একটা খবরদারি করার প্রবণতা চলে আসে। এই ব্যাপারটা বলাই বাহুল্য যে কোন প্রেমিকেরই ভালো লাগে না। এটা নিয়েও হতে পারে ঝামেলা।
৩) একটি কম বয়স্ক তরুণের মানসিক স্থিরতার অভাবটাও সম্পর্কে বেশ ঝামেলা তৈরি করে বৈকি। তিনি হয়তো ভালোবাসেন, কিন্তু তাঁর সব কিছুতেই অস্থির থাকার প্রবণতা বা কোন কিছু নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগার ব্যাপারটি খুব বেশি। আর নারী মাত্রই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা পুরুষ অপছন্দ করেন।
৪) কম বয়সের কারণে প্রেমিকের আবেগ হতে পারে প্রেমিকার তুলনায় অনেক বেশি তীব্র। হতে পারে কি, বরং সেটা হওয়াই সবচাইতে বেশি স্বাভাবিক। তীব্র ভালোবাসা যেমন তাঁরা দিতে পারেন, অন্যদিকে তীব্র ঘৃণা বা কষ্টও। আবার কষ্ট পেয়ে নিজেকে আঘাত করার প্রবণতাও অনেক দেখা যায়।
৫) ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করতে না পারা, কিংবা বিয়ের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে না পারার বিষয়টাও তুলনামূলক ভাবে কম বয়সী প্রেমিকদের মাঝে বেশি।
৬) বলাই বাহুল্য যে আপনার চাইতে বয়সে ছোট প্রেমিকের অনেক বেশি সময় লাগবে উপার্জনক্ষম হতে। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলেই বিয়ের কথা পরিবারের কাছে উপস্থাপন করতে পারবেন না। এবং অপেক্ষা করতে হবে অনেক দিন। এই টানা পোড়নে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।
৭) দুজনের বন্ধু মহলে মানিয়ে নিতে সমস্যাও একটা বড় ব্যাপার হয়ে ওঠে কখনো কখনো।



