
‘নিখোঁজ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।’ গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় একাধিক সংবাদমাধ্যমে এই শিরোনামে খবর চোখে ধরা পড়েছিল। তাহলে কি বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে রূপার? জল্পনা এতদূর পর্যন্ত গড়িয়ে গিয়েছিল। অথচ ভোটের ফলাফল প্রকাশের প্রায় আড়াই মাস পর বিজেপি নেত্রী তথ্য দিলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ৩৫ হাজার মহিলার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, একুশের মঞ্চ থেকে মমতার জাতীয় ফ্রন্ট গড়ার ডাককে কটাক্ষ করতে গিয়েই এমন আজব দাবি করলেন বিজেপি রাজ্যসভার সাংসদ।
এবছর একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ আর কলকাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং তা বাংলা ছাড়িয়ে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের সম্প্রচারিত হয়েছে। প্রধান বক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়যের ভাষণে লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করা হয়। পেগাসাস স্পাইওয়্যার থেকে কোভিড পরিস্থিতি, কেন্দ্রের ব্যর্থতা তুলে ধরে অবিজেপি দল গুলিকে একত্রিত হওয়ার ডাক দেন মমতা। আর এখানেই কটাক্ষ শোনা গিয়েছিল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়। এবার সেই পথেই রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
রূপা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, ‘একটি সমস্যার সমাধানও মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেন না। বিধানসভা নির্বাচনে ৩৫ হাজার মহিলার উপর অত্যাচার করা হয়েছে। শুধু ভোটের পর নয়, গত ১০ বছর ধরেই বাংলাতে হিংসা চলছে।’ যদিও এই তথ্য কোথা থেকে তিনি পেয়েছেন তা অবশ্য পরিষ্কার করেননি।
প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, ‘রূপা গঙ্গোপাধ্যায় একজন মনোনীত সাংসদ। তাঁর পাশে সাধারণ মানুষ কোনওদিনই ছিল না, এখনও নেই। এমন তথ্য কোথায় পেলেন সেটা তিনিই বলতে পারবেন। এটা বিজেপির অপপ্রচারের চেষ্টা।’
সূত্র: এই মুহুর্তে



