রাজনীতি

কোথায় মানবাধিকার কমিশন? ত্রিপুরায় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা প্রসঙ্গে প্রশ্ন মমতার

Mamata Banerjee : কোথায় মানবাধিকার কমিশন? ত্রিপুরায় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা প্রসঙ্গে প্রশ্ন মমতার - West Bengal News 24

ত্রিপুরায় আক্রান্ত তৃণমূল যুবনেতাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে ফের SSKM -হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুদীপ রাহা, জয়া দত্তদের এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে এখনও চিকিৎসা চলছে। সোমবারের পর বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক শেষ করে এসএসকেএম-এ পৌঁছান তিনি।

বিজেপিকে তোপ দেগে তিনি বলেন, তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রমণে মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা কী? ত্রিপুরায় বর্বরের সরকার চলছে। ত্রিপুরাতেও রংবদল হবে, দিল্লিতেও রং বদল হবে। বিজেপির একজনকেও ভোট দেওয়া উচিৎ নয়।

সংবাদমাধ্যমকে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছি, ত্রিপুরায় যা ঘটল, তারপর কোথায় মানবাধিকার কমিশন!সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শুক্রবার ফের ত্রিপুরায় যাচ্ছেন ব্রাত্য বসু সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা।

হাসপাতালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বিজেপির আঙ্গুলি হেলনে ত্রিপুরায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাইরে থেকে কেউ গেলেই তাঁদের গ্রেপ্তারির মুখে পড়তে হচ্ছে। কিন্তু এভাবে তৃণমূলের আন্দোলনকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। উত্তর-পূর্ব ভারতে নিজেদের শক্তিবৃদ্ধি করতে মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল।

বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরাকেই লক্ষ্য হিসাবে ধরে নিয়েছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেভাবে আক্রমণ হয়েছে তাতে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। জোর করে বিনাচিকিত্সায় আটকে রেখে তৃণমূল কর্মীদের অত্যাচার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে আক্রমণ করা হয়েছে তৃণমূল কর্মীদের।

তিনি আরও বলেন , ‘বিমানবন্দরে জানতে চাওয়া হচ্ছে আপনি দিদির সমর্থক, নাকি মোদির সমর্থক।ত্রিপুরা, অসমে কী হচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনের যারা রাজ্যে এসেছিলেন তাঁরা কারা? সবাই তো বিজেপির লোক।’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ত্রিপুরায় তৃণমূলের সংগঠ মজবুত করতে সেখানে তৃণমূল যুবনেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত এবং দেবাংশুকে পাঠানো হয়। গত সপ্তাহে ত্রিপুরার আমবাসায় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন তারা। মাথায় আঘাত লাগে সুদীপের, জয়া দত্তর কান জখম হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে ধরনায় বসলে তাঁদেরই উলটে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রবিবারই ত্রিপুরায় ছুটে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষরা। থানায় দিনভর বসে থেকে আহত ধৃত যুবনেতাদের জামিন করিয়ে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। রবিবার তাদের চিকিত্সার জন্য এসএসকেএম-এর উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সোমবারের পর বৃহস্পতিবারেও তাঁদের দেখতে হাসপাতালে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী। কর্মীদের মনোবল বাড়াতে আরও কঠিন লড়াইয়ের বার্তা দেন তিনি।

সূত্র : কলকাতা টিভি

আরও পড়ুন ::

Back to top button