জাতীয়

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বঘোষিত ধর্মগুরু

Tamilnadu: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বঘোষিত ধর্মগুরু - West Bengal News 24

তামিলনাড়ু পুলিশের হাতে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক স্বঘোষিত বাবা। ধর্ষণে সহায়তা করার কারণে গ্রেপ্তার করে হয়েছে ওই স্বঘোষিত গুরুর স্ত্রীকেও।

পুলিশের বক্তব্য অনুসারে স্বঘোষিত গুরু সাথিয়া নারায়ণন তাঁর এক ভক্তকে ধর্ষণ করেন। গুরুর স্ত্রী পুস্পলতা এই ধর্ষণে তাঁকে সহায়তা করেছিলেন।

যে মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এই ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিলো ১৬ বছর। শনিবার এই গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের কাছ থেকে ধর্ষিতা মহিলার বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি পাওয়া গেছে। ধর্ষিতা মহিলার এই ছবি দেখিয়ে স্বঘোষিত বাবা তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতেন বলেও অভিযোগ।

আটক দম্পতি তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে শিরডিপুরম সর্ব শক্তি পীডম সাই বাবা কোইল নামক এক মন্দিরের মালিক।

ধর্ষিতা তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর ঠাকুমার সঙ্গে থাকতেন। সেইসময় তিনি ক্লাস ১২-এ পড়তেন এবং ঠাকুমার সঙ্গে ঘনঘন ওই মন্দিরে যেতেন। ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল আমাকে মন্দিরে পবিত্র ভস্ম নিতে ডেকে পাঠানো হয়।

আমি যখন মন্দিরে যাই তখন পুস্পলতা আমাকে জুস খেতে দেন এবং এর ঘণ্টা দুয়েক পরে আমি দেখতে পাই সাথিয়া নারায়ণন এবং পুস্পলতার ঘরে আমি উলঙ্গ অবস্থায় শুয়ে আছি।

আরও পড়ুন: এক ধাক্কায় ওমিক্রনে আক্রান্ত বেড়ে ১২৬

তাঁর অভিযোগে তিনি আরও জানান, সাথিয়া নারায়ণন আমাকে জানিয়েছিলেন আমি পাপের দ্বারা পূর্ণ এবং তিনি আমাকে পাপমুক্ত করেছেন। এরপর তিনি ওই মন্দির থেকে চলে আসেন।

২০১৮ সালে তাঁর বিয়ের পর তাঁর স্বামী কাজের সন্ধানে বিদেশ যায়। এই সময় ২০২০ সালের মার্চ মাসে সাথিয়া আমাকে ডেকে পাঠায় এবং জানায় আমি তাঁর সঙ্গে দেখা না করলে আমার ছবি আমার স্বামীকে পাঠিয়ে দেবে।

এরপর আমি মন্দিরে গেলেই সাথিয়া ফের আমাকে বারবার ধর্ষণ করত। জুলাই ২০২০ তে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। এইসময় সাথিয়া এবং পুস্পলতা আমাকে গর্ভপাতের জন্য বলে। আমি তাতে রাজি হইনি এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আমার সন্তান জন্ম নেয়।

এরপর নভেম্বর ২০২০তে ওই মহিলার স্বামী ফিরে এলে সাথিয়া ফের তাঁকে মন্দিরে ডেকে পাঠান। এরপরেই ওই মহিলা তাঁর স্বামীকে সব কথা খুলে বলেন এবং পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। আপাতত গ্রেপ্তার হওয়া ধর্মগুরু এবং তাঁর স্ত্রী বিচার বিভাগীয় হেফাজতে আছেন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য