
সঞ্জয় আর সুমন কৈশোর থেকেই বন্ধু। নিজেদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়েই লুকোচুরি নেই তাদের। বরং একে অপরকে নিজেদের পছন্দ-অপছন্দের কথা বলতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে। কিন্তু জীবন তো এক সরল রেখায় চলে না। হঠাৎ করেই সুমনের প্রাক্তন প্রেমিকাকে মনে মনে পছন্দ করে ফেলে সঞ্জয়। আর এই ঘটনার পর থেকেই মানসিক দ্বন্দ্বে ভুগতে শুরু করে সে। এমনকি তার মনে ভিড় করে নানা প্রশ্নও।
তবে সঞ্জয় একা নয়, আরও অনেক প্রেমিক একই সমস্যায় রয়েছে। তাই হৃদয়ের ইচ্ছা আর বন্ধুত্বের মধ্যে ব্যালেন্স খুঁজে নিতে পড়ুন এই লেখাটি।
মানে না মন
মানুষের মন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বশে থাকে না। তাই একান্তই যদি বন্ধুর প্রাক্তন প্রেমিকাকে মনে ধরে যায়, তাহলে বেশি ভেবে লাভ নেই। বরং বিষয়টি স্বাভাবিক রেখেই জীবনের পথে এগিয়ে চলুন। এমনকি এ নিয়ে মনে কোনো অনুশোচনাও রাখবেন না। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য নিজেকে তৈরি করে নিন।
আরও পড়ুন :: নতুন প্রেমে অন্ধ? গুরুত্ব দিন ৫ বিষয়ে
বন্ধুর কাছে লুকাবেন না
অনেক পুরুষ এসব ক্ষেত্রে বন্ধুকে না জানিয়ে প্রেম করেন। তারপর যখন বন্ধুর সামনে বিষয়টি আসে, তখন তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে একে-অপরের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তাই সমস্যা এড়াতে নিজের পছন্দের বিষয়ে বন্ধুকে বলুন। এরপরই তিনি আপনার মনের দোলাচল ধরে ফেলবেন।
ঝামেলা হলে কি হবে?
বন্ধুকে নিজের মনের কথা বলার পর তিনি হয়তো রাগে ফেটে পড়বেন। যা-তা কথা শোনাতেও পারেন। তবে এসব কথায় বসে থাকবেন না। বিষয়টি স্বাভাবিক ধরে বন্ধুর সঙ্গে আগের মতোই মিশতে থাকুন। ধীরে ধীরে তার রাগ কমবে। ফলে দুজনের বন্ধুত্বও থাকবে অটুট।
আরও পড়ুন :: আপনার প্রেমিকা স্বার্থপর কি না বুঝবেন যেভাবে
অন্যদিকেও নজর দিন
একবার ভেবে দেখেছেন যেই নারীকে নিয়ে আপনার প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে তিক্ততা তৈরি হয়েছে, তিনি আদৌ আপনাকে পাত্তা দেবেন কিনা! তাই প্রথমে সেই নারীর ব্যক্তিগত জীবনের খবর নিন। তিনি কারো সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন কিনা খোঁজ নিন। তারপর না হয় প্রেমের সাগরে ভেসে যান।
নিজেকে শক্ত করুন
যদি আপনার ডাকে পছন্দের নারী সাড়া দেন, তাহলে একদিন না একদিন তার সঙ্গে আপনার বন্ধুর সামনাসামনি সাক্ষাৎ হবেই। আর সেই সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তাই এমন ঘটনা ঘটবে ধরে নিয়েই এই সম্পর্কের দিকে পা বাড়ান। আশা করা যায়, আপনি কঠিন পরিস্থিতি সামলে নিতে পারবেন।



