ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর পথে পাকিস্তান! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করলেও, ভারতের সেনার মোকাবিলা করতে পারছিল না পাকিস্তান। সংঘর্ষ যদি আরও তীব্র হতো, তা হলে তা যুদ্ধের রূপ নিত—এই উপলব্ধি থেকেই নতুন কৌশল নেয় ইসলামাবাদ। ভারতের নয়, বরং আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। এমনটাই উঠে এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে।
‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানি শিবিরে। হঠাৎ করেই বৈঠকে বসে ‘ন্যাশনাল কম্যান্ড অথারিটি’—যেটি পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের দায়িত্বে থাকে। এরপর আমেরিকার স্টেট সেক্রেটারি ‘মার্কো রুবিও’ ফোন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ‘আসিম মুনির’-কে। সূত্রের দাবি, সেই ফোনালাপে মুনির বলেন, “পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইসলামাবাদ পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।”
এই মন্তব্য ছিল মূলত আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করে মধ্যস্থতা করানোর চাল। কেউই পরমাণু যুদ্ধ চায় না—এই মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে আমেরিকাকে বাধ্য করে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করাতে। সূত্র জানাচ্ছে, এরপরে আমেরিকা ভারতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে এবং দিল্লি থেকে ঘোষণা আসে সংঘর্ষ থামানোর।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক সাংবাদিকদের সামনে স্বীকার করেছেন যে, ‘আমরা আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলাম যুদ্ধ থামাতে, না হলে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।’ তাঁর মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দুর্বলতা বুঝেই পাকিস্তান এই পন্থা নেয়। সে কারণেই সীমান্তে লাগাতার গোলাবর্ষণ করে তারা নিজেদের প্রস্তুতির ঘাটতি ঢাকার চেষ্টা করছিল।
পাকিস্তান জানে, দু’টি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে তার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে। তাই সেই আতঙ্ককেই কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা।
প্রথমে আমেরিকা এই সংঘর্ষকে ‘আঞ্চলিক বিষয়’ বলে ব্যাখ্যা করলেও, পাকিস্তানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারির পর তাদেরও হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হতে হয়।



