আন্তর্জাতিকজাতীয়

‘সন্ত্রাস ও ধর্মান্ধতায় ডুবে রয়েছে পাকিস্তান’, IMF-এর ঋণ নিয়েও রাষ্ট্রসংঘে কড়া বার্তা ভারতের

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

‘সন্ত্রাস ও ধর্মান্ধতায় ডুবে রয়েছে পাকিস্তান’, IMF-এর ঋণ নিয়েও রাষ্ট্রসংঘে কড়া বার্তা ভারতের - West Bengal News 24

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কড়া জবাবের পর এবার রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে সরাসরি পাকিস্তানকে একহাত নিল ভারত। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি পর্বতনেনি হরিশ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘সন্ত্রাস ও ধর্মান্ধতায় ডুবে রয়েছে পাকিস্তান। বেঁচে রয়েছে আইএমএফ-এর থেকে পাওয়া ঋণের উপর।’

আন্তর্জাতিক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে তার অর্থনীতিকে নিরবিচারে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে পাকিস্তান সেই দেশ যারা ধর্মীয় কট্টরতা ও সন্ত্রাসে নিমজ্জিত। তাদের অস্তিত্ব কার্যত টিকে আছে আন্তর্জাতিক ঋণের ওপর।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা যখন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ভবিষ্যতের কথা বলি, তখন এই কথাটাও স্পষ্টভাবে মনে রাখা দরকার যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকা উচিত—যা পাকিস্তানের ক্ষেত্রে খাটে না।’

পহেলগাঁওয়ে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে হরিশ জানান, ‘যেসব দেশ সীমান্তপারের সন্ত্রাসে মদত দেয়, তারা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ লঙ্ঘন করছে এবং এই অপরাধের জন্য তাদের বড় মূল্য চোকাতে হবে। সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।’ শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রসংঘের এই অধিবেশনেই ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে কটাক্ষ করে বলা হয়, ‘পাকিস্তান আসলে ঋণের উপর নির্ভরশীল একটি রাষ্ট্র, একপ্রকার ভিক্ষুকের মতো।’ সেই সঙ্গে, IMF বারবার পাকিস্তানকে ঋণ দিয়ে সন্ত্রাসকে পরোক্ষভাবে মদত দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলে ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, ‘এই ঋণের বড় একটা অংশই ঘুরপথে সন্ত্রাসবাদীদের হাতে চলে যাচ্ছে।’

এদিকে, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি নিয়ে নতুন করে দাবি তোলে আমেরিকা। রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি ডরোথি ক্যামেলি বলেন, ‘গত তিন মাসে মার্কিন নেতৃত্ব ইজরায়েল ও ইরান, কঙ্গো ও রাওয়ান্ডা, এবং ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা নিয়েছে।’ তবে সেই বক্তব্য সাফ খারিজ করে দেন ভারতের প্রতিনিধি হরিশ। তিনি পাল্টা জানান, ‘পাকিস্তানের অনুরোধেই ভারত হামলা বন্ধ করেছিল। এখানে কোনও তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল না।’ তিনি স্পষ্ট করে দেন, ‘ভারতের পাল্টা জবাবের পর পাকিস্তানই শান্তির আবেদন জানায়, এবং ভারত সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই আক্রমণ থামায়।’

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য