জাতীয়

আর রাজ্য সরকারের অধীনে নয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর! মুখ্যসচিবকে কড়া বার্তা কমিশনের

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

আর রাজ্য সরকারের অধীনে নয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর! মুখ্যসচিবকে কড়া বার্তা কমিশনের - West Bengal News 24

বিহারে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে চলা বিতর্কের মাঝেই বাংলায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে আলাদা করার লক্ষ্যে মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।

চিঠিতে কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে ‘স্বতন্ত্র’ রূপে গঠন করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে, রাজ্য সরকারের অধীনে আর থাকবেন না মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। বর্তমানে এই দপ্তর কাজ করে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের অধীনে। তবে কমিশনের ইচ্ছা, আর্থিকভাবে রাজ্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে এই দপ্তর নিজের কর্মী নিয়োগের অধিকার রাখুক।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোটার তালিকায় সম্ভাব্য সংশোধনের আগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পদক্ষেপ। এখন বিহারে নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ নামে বিশেষ তালিকা সংশোধন। এতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও অযোগ্য ভোটারদের বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশন জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, “শুধুমাত্র যোগ্য ভারতীয় নাগরিকদেরই ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী”। সূত্রের খবর, বাংলা ছাড়াও ভবিষ্যতে আরও রাজ্যে এই সমীক্ষা চালানো হবে।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত আসলে ‘এনআরসির একটি বিকল্প পথ’। বিরোধী শিবিরের এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে দাবি। একদিন আগেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, “যেভাবে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিচ্ছে, সেটা সুপার এমার্জেন্সির শামিল। বাংলার একজনের নামও ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়লে আন্দোলন হবে।

দরকারে দিল্লিরাজের পতন ঘটাতে হবে। দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন হবে। কমিশনের দপ্তর ঘেরাও হবে”। এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, রাজ্য সরকার এই উদ্যোগে সাড়া দেবে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। তার পরপরই নির্বাচন কমিশনের তরফে CEO-র দপ্তরকে স্বতন্ত্র করার চিঠি পৌঁছল নবান্নে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button