স্বাধীনতা দিবসের সকালে হঠাৎ ‘গায়েব’ সিজেপির ইনস্টাগ্রাম! নেপথ্যে ষড়যন্ত্র? মুখ খুললেন অভিজিৎ
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

স্বাধীনতা দিবসের সকালেই তীব্র চাঞ্চল্য সোশ্যাল মিডিয়ায়। হঠাৎই উধাও হয়ে গেল ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। প্রোফাইলে ঢুকলেই দেখা যাচ্ছিল ‘ইউজার নট ফাউন্ড’। কিছুক্ষণের মধ্যে অ্যাকাউন্টটি ফিরে পেলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
শনিবার ভোরেই নজরে আসে সিজেপির ইনস্টাগ্রাম পেজটি দৃশ্যমান নয়। এরপরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোরগোল শুরু হয়।
সকাল ৬:১৬ মিনিটে প্রথম পোস্ট: এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিজিৎ লেখেন, “ককরোচ জনতা পার্টির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দিয়েছে কাপুরুষরা।”
‘ইউজার নট ফাউন্ড’ বার্তা: অনুগামীরা ইনস্টাগ্রামে অনুসন্ধান করলে পেজটি বন্ধ থাকার স্পষ্ট প্রমাণ পান, যা সাময়িক সাসপেনশনের ইঙ্গিত দেয়।
সকাল ৬:৪৫ মিনিটে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার: আধ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে পেজটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয় দলীয় প্রযুক্তি টিম। এক্স-এ ফের পোস্ট করে অভিজিৎ জানান, পেজটি পুনরায় চালু হয়েছে।
দিল্লি আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পর থেকেই সিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে অস্বাভাবিক ট্র্যাফিক এবং ফলোয়ার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে লক্ষ লক্ষ নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মই তাদের আন্দোলনের মূল ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠে।
আন্দোলনের প্রচার মাধ্যম: ইনস্টাগ্রাম এবং এক্স-কে হাতিয়ার করেই পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচির বার্তা প্রচার করছিল তারা।
পূর্ববর্তী ব্যান: ইনস্টাগ্রামের আগে দলের মূল এক্স অ্যাকাউন্টটিও কিছু সময়ের জন্য ব্যান করা হয়েছিল, যা পরে ফিরিয়ে আনা হয়।
অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেও বিষয়টি সহজে ছাড়তে নারাজ সিজেপি নেতৃত্ব। স্বাধীনতা দিবসের মতো তাৎপর্যপূর্ণ দিনেই ডিজিটাল উপস্থিতিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে পরিকল্পিত চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন দলের শীর্ষ নেতা।
অভিজিৎ দীপকের কথায়, আন্দোলনের গতি রোধ করতেই বিরোধীরা কাপুরুষের মতো ডিজিটাল আক্রমণ চালাচ্ছে। অতীতে আন্দোলন চলাকালীন প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণের ইস্যুতে সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতা দিবসের এই ঘটনাতেও তিনি ঘুরিয়ে কেন্দ্র ও বিরোধী শক্তিকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।



