কলকাতা

জন্ম শংসাপত্রের চাপ বাড়ায় নির্দেশ মেয়রের, দ্রুত আরও বেশি সংখ্যায় সার্টিফিকেট দিতে হবে পুরকর্মীদের

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

জন্ম শংসাপত্রের চাপ বাড়ায় নির্দেশ মেয়রের, দ্রুত আরও বেশি সংখ্যায় সার্টিফিকেট দিতে হবে পুরকর্মীদের - West Bengal News 24

এসআইআর–এর প্রয়োজনীয়তা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জন্ম শংসাপত্রের চাহিদা আকাশছোঁয়া। সেই কারণে শুধু কলকাতার বাসিন্দা নন, অন্যান্য জেলা ও রাজ্যের বহু মানুষও শংসাপত্রের প্রতিলিপি নিতে ভিড় করছেন কলকাতা পুরসভার দপ্তরে। কারও কাছে জন্মের শংসাপত্র কখনও ছিল না, কারও আবার নথি হারিয়ে গিয়েছে সকলকেই দেওয়া হচ্ছে প্রতিলিপি কপি। টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত। প্রতিদিনই পুরসভার সামনে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। বুধবার সেই লাইন সাম্প্রতিক কালের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রক্সি সিনেমা হল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, “মানুষ আতঙ্কিত। তবে অবস্থা সামাল দিতে দৈনিক প্রতিলিপি কপির সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করুক।”
স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫০টি জন্ম শংসাপত্র দেওয়া হয়। চাহিদা সামলাতে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

পুরসভার এক আধিকারিক জানান, শুধু কলকাতা নয়; ভিন জেলা ও ভিন রাজ্যের বাসিন্দারা প্রচুর আসছেন। তাঁরা শহরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে জন্মেছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ বা অন্য রাজ্যে থাকেন। কাজ থেকে ছুটি নিয়েই তাঁরা ছুটে আসছেন, কারণ হাসপাতালের নথি থাকলেও সবার কাছে পুরসভার জলছবি-যুক্ত জন্ম শংসাপত্র নেই।

এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলার থানাও পাসপোর্ট–ভিসা যাচাইয়ের জন্য গুচ্ছ গুচ্ছ নথি পাঠাচ্ছে পুরসভায়।
মেয়র ফিরহাদ হাকিম আরও জানিয়েছেন, হাতে লেখা কোনও বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। সমস্ত শংসাপত্রই জলছবি-সহ কম্পিউটারে তৈরি এবং প্রধান স্বাস্থ্য আধিকারিকের স্বাক্ষর যুক্ত থাকবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্তার কথায়, “করোনা আবহে চ্যাটবটের মাধ্যমে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া শুরু হয়। এখনও সেই পদ্ধতি চলছে। মাঝেমধ্যে কম্পিউটার হ্যাং করছে। কাজের গতি কমছে। মানুষ অভিযোগ জানাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “সবটা বুঝেই মেয়র ফিরহাদ হাকিমের গোচরে আনা হয়েছে। তারপর তিনি প্রতিলিপি বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়ার সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেন।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য