লেখক ও সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সমৃদ্ধ সাহিত্যিক জীবনী

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ক্যানিং-২ ব্লকের আঠারোবাঁকি অঞ্চলের হেদিয়া গ্রাম—সবুজে ঘেরা, নদীর স্রোত ও মাটির গন্ধে ভরা সেই ভূমিতেই ১৯৮৬ সালের ১লা নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন লেখক ও সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার। শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন শ্রম, সংগ্রাম এবং অদম্য জীবনযুদ্ধের বাস্তব চিত্র। পিতা লালু সরদারের কৃষি ও মৎস্যপেশার আবর্তে তাঁর মন গড়ে উঠেছে প্রকৃতির সঙ্গে, মানুষের সঙ্গে, আর মাটির প্রতি গভীর টানে বাঁধা এক সরল ও দৃঢ় মানসিকতায়।
শিক্ষার পথে অগ্রসর হতে হতে তাঁর অন্তরের ভুবনে শব্দের প্রতি এক অকৃত্রিম টান তৈরি হয়। মানুষের গল্প, সমাজের নানান রূপ, জীবনের ওঠাপড়া তাঁকে টেনে আনে সংবাদ ও সাহিত্যজগতের কাছে। সেখানেই তিনি আবিষ্কার করেন—কলমই তাঁর সত্য প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম।
ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন সাংবাদিক, লেখক, কবি এবং সম্পাদক হিসেবে। বাস্তবতার কঠোর মুহূর্ত থেকে শুরু করে মানুষের আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান—সবই সমান সৌন্দর্যে ধরা পড়ে তাঁর লেখায়। সমাজ, মানবতা ও নৈতিকতার প্রশ্নে তিনি নির্ভীক; সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো তাঁর কাছে দায়িত্ব এবং সাধনার সমান।
‘রোজদিন’, ‘বিশ্ব বার্তা প্রেস’ এবং ‘আত্মা শুদ্ধির সন্ধানে’–এর সম্পাদক হিসেবে তিনি প্রতিদিন লড়ে যান নিরপেক্ষতা, মানবিকতা এবং বাস্তবতার পক্ষ নেওয়ার সংগ্রামে। তাঁর ভাষা সহজ, অথচ অন্তঃসারপূর্ণ; তাঁর চিন্তা স্পষ্ট, অথচ গভীর।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুঞ্জয় সরদার হয়ে উঠেছেন দক্ষিণবঙ্গের সংবাদ ও সাহিত্যপরিসরে এক পরিচিত ও বিশ্বস্ত নাম—
একজন অকৃত্রিম লেখক, যিনি কলমকে মানুষের সেবার অর্ঘ্য মনে করেন এবং সত্যকে দেখেন অন্ধকারমুক্তির এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা হিসেবে।



