
৩০ কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগে বিপাকে পড়লেন পরিচালক বিক্রম ভাট। রাজস্থান ও মুম্বই পুলিশের যৌথ তল্লাশি অভিযানের পর তাঁকে আটক করা হয়েছে। মুম্বইয়ের ইয়ারি রোডে তাঁর শ্যালিকার বাড়ি থেকে বিক্রমকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই তিনি দাবি করেছিলেন, এই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।
ঘটনার সূত্রপাত মুম্বইয়ের ইন্দিরা আইভিএফ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ অজয় মুরদিয়াকে ঘিরে। জানা যায়, প্রয়াত স্ত্রীকে কেন্দ্র করে একটি বায়োপিক তৈরি করতে চান তিনি। সেই উদ্দেশ্যে গত বছরের ২৫ এপ্রিল বৃন্দাবন স্টুডিওতে বিক্রম ভাট ও তাঁর টিমের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালকের স্ত্রী শ্বেতাম্বরী ভাটও। অভিযোগ, পরিচালক তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ফেরত মিলবে। কিন্তু নির্ধারিত অর্থ ফেরত না-দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন চিকিৎসক।
ঘটনার পর রাজস্থানের উদয়পুর থানায় মামলা দায়ের করেন অজয় মুরদিয়া। অভিযোগের ভিত্তিতে বিক্রম ভাট-সহ মোট ছয় জনের নামে লুকআউট নোটিস জারি করে পুলিশ। যদিও প্রাথমিকভাবে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন, তার মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই পুলিশ তাঁকে আটক করে। মুম্বই ও রাজস্থান পুলিশের যৌথ দলের হাতে গ্রেপ্তারের পর বান্দ্রা আদালতে পেশ করা হয় তাঁকে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে উদয়পুরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।



