
প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলাকালীনই ফের বাংলায় হাজির প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে কৃষ্ণনগরের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল তাঁর মুখে। গত কয়েক দশকের মধ্যে বাংলায় সর্বাধিক ভোটদানের দাবি তুলে কমিশনকে অভিনন্দন জানান তিনি। পাশাপাশি ফের উঠে আসে ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও। ‘৪ মে বাংলায় মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে।’
বাংলায় রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের প্রসঙ্গ তুলে কমিশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “৫০ বছরে প্রথম হিংসা মুক্ত ভোট দেখছে বাংলা। ভোটদানে সব পুরনো রেকর্ড ভেঙে গেছে।” কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার এই সাফল্যকে স্বাগত জানান তিনি। একই সঙ্গে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সুরও স্পষ্ট তাঁর বক্তব্যে। প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই তিনি বলেন, “বাংলা থেকে ভয় পালাচ্ছে, ভরসা দৃঢ় হচ্ছে। ৪ মে বাংলাতেও পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি, ঝালমুড়ি বিলি হবে।” তাঁর সংযোজন, “ডবল ইঞ্জিন সরকার এলে ডবল সক্রিয়তায় বাংলার বিকাশ করবে।” এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়েও তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন :: শান্তিপূর্ণ জঙ্গলমহলে রেকর্ড ভোটদান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতেই দিনভর চলল গণতন্ত্রের উৎসব
এদিন সকালে ফের ঝালমুড়ি বিতর্ককে সামনে আনেন তিনি। ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের তরফে সেই প্রসঙ্গে কটাক্ষও করা হয়। তারই জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের।” আসন্ন নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “১৫ বছর পর সংস্কৃতির ভূমিতে আজ পরিবর্তনের ঝড় দেখতে পাচ্ছি।” তাঁর দাবি, রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ সব জায়গাতেই মানুষ পরিবর্তনের পক্ষেই মত দিচ্ছেন।
কৃষ্ণনগরের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের মন জয় করার চেষ্টাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মতুয়াদের তৃণমূলের ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাদের কেউ হাত লাগাতে পারবে না।” পাশাপাশি ক্ষমতায় এলে সিএএ কার্যকর করার আশ্বাসও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। “৪মে-র পর থেকে সুরক্ষার নতুন গ্যারান্টি শুরু হবে” বলেও প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলায় প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে ঝালমুড়ি খোঁচা দিয়ে মোদি বললেন, “খেলাম আমি, ঝাল লাগল তৃণমূলের।” সেই সঙ্গে বাংলায় হিংসামুক্ত ভোট ও রেকর্ড ভোটদানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে কুর্নিশ জানালেন তিনি। পাশাপাশি মতুয়াদের সুরক্ষা এবং সিএএ বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী। ৪ঠা মে বাংলার রাজনীতিতে নতুন দিনের ইঙ্গিত কি দিলেন মোদি? বিস্তারিত পড়ুন প্রতিবেদনে।



