বিনোদন

লকডাউনে সমস্যায় দৈনিক মজুরীর শ্রমিকরা, ১০০ পরিবারকে খাবার পাঠালেন সোনু সুদ

লকডাউনে সমস্যায় দৈনিক মজুরীর শ্রমিকরা, ১০০ পরিবারকে খাবার পাঠালেন সোনু সুদ - West Bengal News 24

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। গত ২৫ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এই লকডাউন। প্রাথমিক ভাবে মেয়াস ছিল তিন সপ্তাহ। সেই মত আজ অর্থাত্‍ ১৪ এপ্রিল ছিল লকডাউনের শেষদিন। তবে এদিনই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন আগামী ৩ মে পর্যন্ত দেশে বহাল থাকবে লকডাউনের নিয়ম। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গেলে ঘরে থাকায় শ্রেয়। এছাড়া সংক্রমণ রোখার আর কোনও উপায় নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাও।

তাই জরুরিভিত্তিক পরিষেবা ছাড়া চালু নেই কিছুই। তবে এই করোনার প্রভাবে আগামীদিনে সারা বিশ্বে আর্থিক মন্দা দেখা দেবে বলেও আন্দাজ করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন দৈনিক মজুরীতে কাজ করা লোকজন। যাঁদের দিন আনি দিন খাইয়ের সংসার, নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা লকডাউন তাঁদের সব শান্তিই কেড়ে নিয়েছে।

তবে এই অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন বলিউডের অভিনেতা সোনু সুদ। অভিনেতা জানিয়েছে, তাঁর কাছে একটা ফোন এসেছিল। সেখানেই তিনি খবর পান যে কয়েকদিন ধরে প্রায় না খেয়ে আছে কিছু পরিবার।

সঙ্গে সঙ্গেই ট্রাক বোঝাই করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস, খাবার-দাবার, মূলত গ্রসারি আইটেম ওইসব পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন সোনু। মুম্বইয়ের মালাড মালওয়ানি এলাকার অম্বুজ ওয়াদি, আজমি নগর—এইসব বস্তিতে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন অভিনেতা। মূলত এই অঞ্চলে দৈনিক মজুরীতে কাজ করা লোকেদেরই বসবাস। আপাতত তাঁদের সঞ্চয়ের সবই প্রায় শেষের পথে। সেজন্যই এইসব অসহায় মানুষদের ঘরে ঘরে গ্রসারি আইটেম পৌঁছনোর ব্যবস্থা করেছেন সোনু সুদ।

প্রায় ১০০টি পরিবারের কাছে এই গ্রসারি আইটেম পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। এর আগে করোনা মোকাবিলায় নানা ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলিউড তারকারা। এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। সেই তালিকায় আগেই নাম জুড়েছিল সোনু সুদের। মুম্বইয়ের জুহুতে একটি বিলাসবহুল হোটেল রয়েছে এই অভিনেতার। মহারাষ্ট্রের করোনা-যোদ্ধা চিকিত্‍সক-নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার জন্য সেই হোটেলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন তিনি। সামনের সারিতে থেকে যাঁরা এই জটিল পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের সেবায় ব্রতী, করোনা আক্রান্তদের সুস্থ করে তুলতে প্রাণপণ লড়াই করছেন তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে সোনু সুদের জুহুর এই হোটেলে।

সুত্র:THE WALL

আরও পড়ুন ::

Back to top button