প্রত্যেক রেশন গ্রাহককে মাসে পাঁচ কেজি করে চাল বিনামূল্যে দেওয়া হবে,জানালেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী !

আগামীকাল শুক্রবার থেকে গোটা রাজ্যে প্রত্যেক রেশনকার্ড গ্রাহককে প্রতি মাসে বিনামূল্যে পাঁচ কিলো করে চাল দেওয়া শুরু হবে বলে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার রেশন বণ্টন নিয়ে বৈঠক করেন খাদ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘পূর্ব বর্ধমান জেলার চালকলগুলি থেকে লেভির চাল বকেয়া আছে এক লক্ষ ছত্রিশ হাজার মেট্রিক টন।
তবে চালকলগুলি বকেয়া চাল দ্রুত দিয়ে দেবে। বাঁকুড়া, দুই ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের ছ’টি জেলায় পূর্ব বর্ধমান থেকে চাল সরবরাহ করা হয়।’ আগামী ১৫ মে থেকে বোরো ধানের পাশাপাশি বাড়িতে মজুত থাকা খরিফ মরসুমের ধানও সরকার সহায়ক মূল্য কিনবে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী। অন্নদাত্রী পোর্টালের মাধ্যমে ওই ধান বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রশাসন কিনবে বলেও তিনি জানান। খাদ্য দফতরের কর্মীদের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও ধান কেনার বিষয়টি সরেজমিনে দেখবেন।
প্রধানমন্ত্রী বিনামূল্যে ডাল দেওয়ার কথা বললেও এখনও তিনি তা দেননি বলে এদিন অভিযোগ করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একজন রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে বুধবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সারা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তো বটেই, গত দু’সপ্তাহে পূর্ব বর্ধমানের ছ’জায়গায় বিক্ষোভ হয় রেশন নিয়ে।
তাছাড়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিরক্ত খাদ্য দফতরের উপরে। লকডাউনের মধ্যেই খাদ্যসচিব বদল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চাপে পড়ে যান খাদ্যমন্ত্রী। তাই তিনি বর্ধমানে জেলাশাসকের দফতরে এদিন বৈঠক করে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবার থেকে পূর্ব বর্ধমানের প্রতিটি রেশন দোকানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও অশান্তি এড়াতে সিভিক ভলান্টিয়ার রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। কারণ আগে নির্দিষ্ট রেশন কার্ড গ্রাহকরা বিনামূল্যে চাল পেলেও এবার প্রত্যেকে এই সুবিধা পাবেন। তাই বাড়তি ভিড় হওয়ার আশঙ্কা করছে জেলা প্রশাসন।
সুত্র: THE WALL



