রাজ্য

চার থেকে বেড়ে ১০ জেলা রেড জোন কীভাবে? কেন্দ্রের তালিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ রাজ্যের !

চার থেকে বেড়ে ১০ জেলা রেড জোন কীভাবে? কেন্দ্রের তালিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ রাজ্যের ! - West Bengal News 24

 

রাজ্যকে পাঠানো কেন্দ্রের নয়া রেড জোনের তালিকা ঘিরে এবার চরমে সংঘাত। কেন হঠাত্‍ এই তালিকায় বদল? প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবকে পালটা চিঠি দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব বিবেক কুমার। কেন্দ্রের নয়া তালিকা অনুযায়ী-

রেড জোন- দার্জিলিং, কালিম্পং জলপাইগুড়ি, মালদা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতা।

অরেঞ্জ জোন- মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া ও হুগলি।

গ্রিন জোন- আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আসা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যের একটা সংঘাত তৈরি হয়েছিল। এবার তা চরমে উঠল করোনায় রেড জোন চিহ্নিত করে কেন্দ্রের পাঠানো নয়া তালিকায়। এই তালিকায় মূলত রাজ্যের ৪টি থেকে বাড়িয়ে ১০টি জেলাকে রেড জোনের আওতায় দেখানো হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের দাবি, প্রথমে কেন্দ্র রাজ্যের চারটি জেলা-কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগনাকেই রেড জোনের আওতায় দেখিয়েছিল।

বিবেক কুমার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ৩০ এপ্রিল ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের সময় চারটি জেলাকে রেড জোনে দেখানো হয়ছিল।১ মে সেটা কী করে দশটি জেলা হয়ে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

কাবিলা করতে ২১দিনের লকডাউনের ঘোষনা দেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ও অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব প্রীতি সুদনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে সংক্রমণের হার, কতদিনে সংক্রমণের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে, কতজন ব্যক্তি সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসছেন, তা পর্যালোচনা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা নবান্নে জানিয়েছিলেন, রাজ্যের অরেঞ্জ জোনের দু’টি জেলায় গত ২৫ দিন কোনও সংক্রমণ হয়নি, তিনটি জেলা থেকে ২১ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণ নেই।

আরও দু’টি জেলায় গত সাত দিনে কোনও সংক্রমণ নেই। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই নতুন তালিকা দেখে মনে করা হচ্ছে তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সম্প্রতি রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসা কেন্দ্রীয় আন্তঃমন্ত্রক প্রতিনিধি দলের রিপোর্ট প্রভাব ফেলেছে।

সুত্র: সংবাদ প্রতিদিন

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য