
ওয়েবডেস্ক : গতকালই মরশুমে প্রথম ২০ টন ইলিশ এসেছে ডায়মন্ডহারবারের বাজারে। কিন্তু তা রাজ্যের চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। এবার ইলিশ
এখনও বাজারে না আসার কারণ করোনা ও আম্ফান। এই দুইয়ের প্রভাবে দুই ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরের মত্সব্যবসায়ীরা এতটাই ধাক্কা খেয়েছেন, তাতে ইলিশের যোগানে সমস্যা হয়েছে।
দিঘা থেকে সমুদ্রে ১৫ জুন থেকে ইলিশ ধরতে যাওয়া স্থগিত হয়েছে। ট্রলার মালিকের একাংশ, গ্রামবাসীদের বাধার পর আগামী ১ জুলাই সমুদ্রে মাছ ধরতে পাড়ি দেবেন বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রলার মালিক ও মত্সজীবীরা।
মূলত আবহাওয়া উপযুক্ত না থাকায় গতকালই মাঝ সমুদ্র থেকে ফিরে এসেছিলেন ডায়মন্ডহারবারের মত্সজীবীরা। তাতেই তাঁরা ২০ টন মাছ পেয়েছেন। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরে দিঘার সমুদ্রে ইলিশ বেশি পাওয়া যায়।
ফলে ১ জুলাই সেখানে গেলে ৪ কিংবা ৫ তারিখ থেকে কলকাতার বাজারে যথেষ্ট পরিমাণ ইলিশ মাছ পাওয়া যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। দিঘা এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম মত্স আরোহণ কেন্দ্র।

এখান থেকে সবচেয়ে বড় ও উন্নত প্রযুক্তির ট্রলার ও “ভাসানি” নামক লঞ্চ গভীর সমুদ্রে বড় মাপের ইলিশ ধরতে পাড়ি দেয়। প্রায় ১০০-১২০ নটিক্যাল মাইল সমুদ্র গভীরে ঢুকে ইলিশ ধরে আনতে সক্ষম এই সব ভাসানি বা ট্রলার।
তাই যতক্ষণ না বেরোতে পারছে এই ট্রলার কিংবা লঞ্চগুলি ততদিন রাজ্যের বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে বড়মাপের সুস্বাদু এবং রুপোলি শস্য ইলিশের দেখা মেলা ভার।
এই ধরনের ট্রলার বা ভাসানি দিঘা এলাকায় প্রায় দেড় হাজার রয়েছে। ফি বছর গড়ে প্রতিদিন ৫০-৭০ টন ইলিশ আমদানি করে এরা। সেই মাছ এবছর একদম বন্ধ রয়েছে। সেই কারণেই বাঙালির পাতে দেখা নেই ইলিশের।
সুত্র: এই মুহূর্তে



