গোপীবল্লভপুরে রেল কই, বিজেপিকে বিঁধে অবস্থান-বিক্ষোভে সরব তৃণমূল

স্বপ্নীল মজুমদার, ঝাড়গ্রাম: রেলের মিথ্যে স্বপ্ন দেখিয়ে জঙ্গলমহলের মানুষকে ঠকিয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার। এখন রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে রেল-পরিষেবাকে মহার্ঘ্য করার করার পথে যাচ্ছে কেন্দ্র। যা একান্তই জনবিরোধী সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার দলের অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রেল বেসরকারি করণের বিরুদ্ধে এভাবেই সরব হলেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিরবাহা সরেন টুডু।
আরও পড়ুন : নেতার নিগ্রহে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আদিবাসী কুড়মি সমাজের মিছিল ঝাড়গ্রামে
কেন্দ্র সরকারের রেলের বেসরকারি করণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন রেল স্টেশনে এদিন অবস্থান-বিক্ষোভ করে তৃণমূল। মূল কর্মসূচিটি হয় ঝাড়গ্রাম রেল স্টেশনের সামনে। সেখানে বিরবাহাদেবী ছাড়াও ছিলেন তৃণমূলের এসটি সেলের রাজ্য নেতা রবিন টুডু, জেলা পরিষদের সভাধিপতি মাধবী বিশ্বাস, ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূলের সভাপতি প্রশান্ত রায়, ঝাড়গ্রামের বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা, শহর যুব তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাহাতো, শহর তৃণমূলের নেতা রিংকা মুখার্জি প্রমুখ। বিরবাহাদেবী বলেন, “লোকসভা ভোটের সময়ে গোপীবল্লভপুরে রেলপথের স্বপ্ন দেখিয়েছিল বিজেপি।

কিন্তু পুরোটাই মিথ্যাচার। ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া রেলপথও বাস্তবায়িত হল না। এখন রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। যা পুরোপুরি জনস্বার্থ বিরোধী।” তাঁর অভিযোগ, ভারতীয়-জীবনের লাইফ-লাইন রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দিয়ে আমজনতাকে আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এদিন সরডিহা স্টেশনের সামনে অবস্থানে ছিলেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক চূড়ামণি মাহাতো ও ঝাড়গ্রাম গ্রামীণ ব্লক তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মাহাতো।
আরও পড়ুন : দুলকি চালে পালকি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে পথে তৃণমূল
বাঁশতলা রেল স্টেশনে অবস্থানের নেতৃত্বে ছিলেন মানিকপাড়ার তৃণমূল উপ প্রধান মহাশিস মাহাতো ও আইএনটিটিইউসি-র জেলা আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ প্রধান, ঝাড়গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেখা সরেন। গিধনি স্টেশনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে ছিলেন জামবনি ব্লক তৃণমূলের পর্যবেক্ষক প্রসূন ষড়ঙ্গী ও জামবনি ব্লক তৃণমূল সভাপতি নিশীথ মাহাতো। খাটখুরা হল্টে তৃণমূল কর্মীরা অবস্থান-বিক্ষোভ করেন। সেখানে পরে যান প্রসূনবাবু।



