
আর্থিক সমস্যা, ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ব্যবস্থা। করোনা আবহে বিদেশের মাটিতে আইপিএল (IPL 13) আয়োজনের সমস্যা বহু। আবার হাতে সময়ও বেশি নেই। এই পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব সব প্ল্যান-পরিকল্পনা করে ফেলতে হবে। তাই সময় নষ্ট না করে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ভারচুয়াল বৈঠকে বসছে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল (IPL Governing Council)।
ওই বৈঠকেই আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। তার আগেই অবশ্য টুর্নামেন্টের সব অংশীদারদের সঙ্গে গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা একপ্রস্ত আলোচনা সেরে রাখবেন।
আসলে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এত বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঝামেলা কম নয়। সবার প্রথম প্রশ্ন হল, এত ক্রিকেটারের নিরাপত্তা। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের হোটেলের ব্যবস্থা, হোটেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় স্টেডিয়ামে যাওয়া। আবার এসবই করতে হবে করোনার সুরক্ষাবিধি মেনে। এসবের পরে আসে আর্থিক দিক। কারণ, করোনার মারে অনেক স্পনসরই আইপিএল থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
[ আরও পড়ুন : ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে সৌরভেই আস্থা গাভাসকরের ]
এই পরিস্থিতিতে বোর্ড (BCCI) এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি দুই শিবিরের জন্যই অর্থের সংস্থান একটা বড় প্রশ্ন। সূত্রের খবর, বোর্ড চাইছে আগের মতোই ক্রিকেটারদের থাকার ব্যবস্থা, পরিবহণের ব্যবস্থা এবং চিকিৎসার দায়িত্ব ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিই নিক। বিসিসিআই শুধু আমিরশাহীর (UAE) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কম খরচে সবটা মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।
চিকিৎসার জন্য বোর্ডের একটি কেন্দ্রীয় দল থাকবে। তবে ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষা এবং তাঁদের নিরাপদ রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজিরই। বিসিসিআইয়ের চিকিৎসকরা প্রত্যেক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবে। আর ক্রিকেটারদের করোনা থেকে দূরে রাখতে ‘ভার্চুয়াল বাবল’ তৈরির পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময় যে ভাবে টিমগুলোকে যেমন ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের ঘেরাটোপে রেখে দেওয়া হয়, এখানেও অনেকটা তেমনই হবে। ক্রিকেটাররা মাঠে যাওয়া ছাড়া হোটেল ছেড়ে বেরোতে পারবেন না। অপরিচিত ভক্ত, স্বল্প পরিচিত, পরিচিত, কাউকেই হোটেলে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
[ আরও পড়ুন : ‘কেরিয়ারের শেষ প্রাপ্য সম্মানটা পেলাম না : যুবরাজ ]
সূত্রের খবর ২ আগস্টের বৈঠকেই এই প্রস্তাবগুলিতে ছাড়পত্র দেবে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।



