খেলা

আমাদের হারানো অসম্ভব: নেইমার

আমাদের হারানো অসম্ভব: নেইমার - West Bengal News 24

ছিটকে পড়ার দুয়ার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণ এক জয়ের পর যেন আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে আতালান্তার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে জিতে পিএসজি তারকার বিশ্বাস, ইউরোপ সেরার মঞ্চ থেকে তাদের বিদায় করা অসম্ভব।

পর্তুগালের লিসবনে বুধবার রাতে শেষ আটের এক লেগের লড়াইয়ে ২৬তম মিনিটে মারিও পালাসিচের গোলে পিছিয়ে পড়া পিএসজি ৮৯তম মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। এরপর হঠাৎ করেই যেন সবকিছু পাল্টে যায়। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকা দলটি ১৪৯ সেকেন্ডের মধ্যে করে দুই গোল।

দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মিনিটে মার্কিনিয়োসের লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরা দলটি জয়ের বন্দরে পৌঁছায় এরিক মাক্সিম চুপো-মেটিংয়ের যোগ করা সময়ের গোল। বাদ পড়ার শঙ্কা দূরে ঠেলে সেমি-ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে ওঠে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

[ আরও পড়ুন : নেইমারের বার্ষিক আয় আতালান্তার পুরো স্কোয়াডের সমান! ]

পুরো ম্যাচে নেইমারের পারফরম্যান্স ছিল একদিকে নজরকাড়া, আরেক দিকে ব্যর্থতায় ভরা। ৬০তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে নামার আগে আতালান্তার রক্ষণে ভীতি ছড়ানোর কাজটা একাই করে গেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগও পান তিনি; কিন্তু প্রতিটি আক্রমণের শেষে তার অবিশ্বাস্য ভুলগুলো শুধু হতাশাই বাড়িয়েছে।

তবে হাল না ছাড়া মানসিকতার জন্য প্রশংসিতও হচ্ছে নেইমারের পারফরম্যান্স। ম্যাচে গোলের উদ্দেশে পিএসজি মোট শট নিয়েছে ১৭টি, এর সাতটি তার। লক্ষ্যে থাকা দলের ছয় শটের মধ্যে দুটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলারের। নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচটিতে মোট ১৬টি সফল ড্রিবল করেন নেইমার; চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে ২০০৮ সালের এপ্রিলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে বার্সেলোনার লিওনেল মেসির পর এক ম্যাচে যা সর্বোচ্চ।

তাই দৃষ্টিকটু বেশ কিছু ব্যর্থতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আতালান্তার রক্ষণকে ব্যস্ত রাখায় নেইমার দারুণ প্রশংসিত হচ্ছেন। দলের দুটি গোলেও জড়িয়ে আছে তার নাম এবং ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন তিনি। সব মিলে, ভয়ডরহীন আতালান্তার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের পর টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত যাওয়ার ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

“আমার কখনোই মনে হয়নি যে আমরা আগামীকাল বাড়ি ফিরে যাব। প্রতিটি মুহূর্তে, আমরা শুধু এক চেষ্টাই করে গেছি-তা হলো শেষ চারে ওঠা।”

[ আরও পড়ুন : বাগদান করে চাহাল লিখলেন ‘হ্যাঁ বলে দিলাম’ ]

“আমি ফাইনালে যেতে চাই, আর আমার ভাবনা থেকে কেউ এটা দূর করতে পারবে না। আমরা কি পারি, সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং আরেকটি দারুণ ম্যাচ খেলতে হবে। আমরা খুব খুশি এবং অসাধারণ সময় উপভোগ করছি। আমরা ভীষণ শক্তিশালী এক দল, একটা পরিবার। আর এই মানসিকতা থাকলে আমাদের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দেওয়া অসম্ভব।”

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টমাস টুখেলের পিএসজি মুখোমুখি হবে আরেক কোয়ার্টার-ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও লাইপজিগের মধ্যে বিজয়ীর বিপক্ষে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য