জাতীয়

উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে ভারতে সুস্থতার হার ৯৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ

কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত আরও একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে।

জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার আজ আরও বেড়ে হয়েছে ৯৬.০৪ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ। প্রত্যাশার তুলনায় অধিক সংখ্যায় সুস্থতার ফলে আরোগ্য লাভের হারও বেড়েছে।

দেশে মোট সুস্থতার সংখ্যা ৯৮ লক্ষ ৬০ হাজার ২৮০, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক। সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এবং সুস্থতার সংখ্যার মধ্যে ফারাক ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৬ লক্ষ ২ হাজার ৬২৪।

আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্য হিসেবে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে হয়েছে ২ লক্ষ ৫৭ হাজার। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬৫৬ যা মোট আক্রান্তের কেবল ২.৫১ শতাংশ।

আরও পড়ুন : করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৮ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে

দৈনিক ভিত্তিতে অধিক সংখ্যায় কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা লাগাতার বাড়তে থাকায় এবং মৃত্যুহার ক্রমশ কমতে থাকায় সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ২১ হাজার ৮২২ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ২৬ হাজার ১৩৯ জন। এরফলে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা থেকে আরও ৪ হাজার ৬১৬টি ঘটনা হ্রাস পেয়েছে।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় আরোগ্য লাভকারীদের ৭৭.৯৯ শতাংশই ১০টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। কেরালা থেকে একদিনেই সর্বাধিক ৫৭০৭ জন সুস্থ হয়েছেন। মহারাষ্ট্রে আরোগ্য লাভ করেছেন ৪ হাজার ৯১৩ জন। অন্যদিকে ছত্তিশগড়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৮ জন।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্তদের ৭৯.৮৯ শতাংশই ১০টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। কেরালা থেকে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বাধিক ৬ হাজার ২৬৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৫৩৭।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা জনিত কারণে ২৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৮০.৬০ শতাংশই মারা গেছেন ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। মহারাষ্ট্র থেকে একদিনেই সর্বাধিক ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে মারা গেছেন ২৮ জন করে।

১০ টি সরকারি নমুনা পরীক্ষাগারকে নিয়ে গঠিত সংগঠন আইএনএসএসিওজি-তে ব্রিটেনে দেখা দেওয়া নতুন প্রজাতির ভাইরাসের ২৫টি নমুনায় এই ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। যে ২৫ জন ব্যক্তির নমুনায় নতুন প্রজাতির এই ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

সুত্র : pib.gov.in

আরও পড়ুন ::

Back to top button