জাতীয়

কৃষক আন্দলোনে নয়া মোড়, সুপ্রিমকোর্টে বড় ধাক্কা খেল কেন্দ্র সরকার

অমিত শর্মা



কেন্দ্র বনাম কৃষক আন্দলোনে নয়া মোড়। কৃষি আইন স্থিগিত রাখার পরামর্শ দিল সুপ্রিমকোর্ট। এই আবহে ব্যাকফুটে চলে গেল কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রতিবাদী কৃষকদের জন্যে হেভিওয়েট আইনজীবীদের কমিটি গঠন করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। কমিটিতে রয়েছেন চারজন আইনজীবী। রয়েছেন কলিন গোঞ্জালভেস, প্রশান্ত ভূষণ, এইচএস ফুলকা, দুষ্মন্ত দাভে।

নতুন তিনটি কৃষি আইন কি কিছুদিনের জন্য স্থগিত করে রাখে যেতে পারে? প্রশ্ন তুললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে। আরও একাধিক পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি কৃষি আইন নিয়ে যা চলছে, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এর দায় যে কারও পক্ষেই এড়ানো সম্ভব নয়, সেটাও এদিন শুনানিতে স্পষ্ট করে দেন প্রধান বিচারপতি।

গতবছরের সেপ্টেম্বরে বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন তিনটি কৃষি আইন পাশ করায়। কৃষক সংগঠনগুলি ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ওই আইন কৃষক বিরোধী। নভেম্বরের শেষে ৪০টি কৃষক সংগঠন ওই আইন প্রত্যাহারের দাবি তুলে আন্দোলন শুরু করে। প্রায় মাস দেড়েক ধরে তারা অবস্থান বিক্ষোভ করছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনাও চলছে। যদিও সেই আলোচনায় কোনও সমাধানসূত্র এখনও বের হয়নি।

আরও পড়ুন : ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রাণ হারালেন স্ত্রী ও আপ্ত সহায়ক

এই পরিস্থিতিতে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার সেই মামলার শুনানি শুরু হয় প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানির শুরুতেই একাধিক পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করেছেন প্রধান বিচারপতি। তিনি কেন্দ্রের মোদী সরকারকে প্রশ্ন করেন, নতুন তিনটি কৃষি আইন কি কিছুদিনের জন্য স্থগিত করে রাখা যেতে পারে? আর তার পরই তিনি বলেন, ‘যদি কেন্দ্রীয় সরকার কৃষি আইন কার্যকর করা থেকে বিরত হতে না চায়, তাহলে আমরাই স্থগিতাদেশ দেব।

এই মন্তব্য করার আগে আরও একাধিক পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি কৃষি আইন নিয়ে যা চলছে, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রশ্ন তোলেন, ‘কী ধরনের সমঝোতা চলছে, তা আমরা জানি না।’ আইনের বিরুদ্ধে বয়স্ক কৃষক ও মহিলারা নেমেছেন রাস্তায়, এটাও তাঁর পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। এর দায় যে কারও পক্ষেই এড়ানো সম্ভব নয়, সেটাও এদিন শুনানিতে স্পষ্ট করে দেন প্রধান বিচারপতি।


Related Articles

Back to top button