বীরভূমে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় ১২ জন বিজেপি কর্মী গ্রেফতার

দুবরাজপুরের মুক্তিনগরে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় ১২ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে খয়রাশোল থানার পুলিশ। অন্যদিকে, গন্ডগোলের ঘটনায় গ্রেফতার এক তৃণমূল কর্মী। ২১ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস অব্যাহত বীরভূমেও। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে দুবরাজপুরের মুক্তিনগরে। শুক্রবার রাতে মুক্তিনগরে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে মৃত্যু হয় এক তৃণমূল কর্মীর। আরও ৯ জন তৃণমূল কর্মী হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়।
তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার রাত থেকেই মুক্তিনগর গ্রামে পরিকল্পিত হামলা চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তৃণমূল কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেই দাবি অস্বীকার করেছে বিজেপি। পালটা তাঁদের দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন গ্রামে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূলের বাইক বাহিনী। এই ঘটনায় কান্ত বাউড়ি নামে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়।
অভিযুক্তদের খয়রাশোল থানার পুলিশ রবিবার গ্রেফতার করে দুবরাজপুর আদালতে তুললে আদালত তাদের দুই জনকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের ও বাকি দশ জনের ২১ মে পযন্ত জেল হাজতের নির্দেশ দেন দুবরাজপুর আদালতের বিচারক। এই ঘটনায় এখনও বিজেপি নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷
২ মে রাজ্য বিধানসভার ভোটের ফল ঘোষণার পরই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসতে থাকে। এ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি বাংলায় প্রতিনিধি দল পাঠায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শনিবার বীরভূমের নানুর, ময়ূরেশ্বর দুবরাজপুরের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
সূত্র: কলকাতা ২৪x৭


