
৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। শোধ দিতে পারেননি। বারবার তাগাদা দিচ্ছিলেন ঋণদাতা। রোজ বাড়ি এসে অপমান করছিলেন। ধার মেটাতে যুবক নিজের আড়াই বছরের শিশু কন্যাকে তুলে দিলেন ঋণদাতার হাতে। শিশুটির ঠাকুর্দা থানায় অভিযোগ করে। তার পরেই পুলিশি তত্পরতায় উদ্ধার হয় শিশু। ওডিশার জাজপুরের ঘটনা।
অভিযুক্তের নাম রমেশ কুমার বারিক। বিনঝারপুর থানার সহদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা লিটু জেনার থেকে ৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন তিনি। শোধ দিতে পারেননি। তাঁর বাবা রবীন্দ্র বারিকের এফআইআর-এর ভিত্তিতে প্রকাশ্যে এসেছে ঘটনা। দু’জনকেই আটক করেছে পুলিশ। জেরা চলছে।
রমেশ এবং তাঁর স্ত্রী ভুবনেশ্বরে কাজ করতেন। মাদকাসক্ত রমেশ প্রায়ই মারধর করতেন স্ত্রীকে। আড়াই বছরের মেয়েকে রেখেই বাপের বাড়ি চলে যান তাঁর স্ত্রী। এর পর লকডাউনে ভুবনেশ্বরে কাজ যায় রমেশের। তিনি মেয়েকে নিয়ে ফিরে আসেন বিনঝারপুরের গ্রামে। সেখানেই টাকা ধার নেন লিটুর থেকে।
কিন্তু সে টাকা লিটুকে শোধ দিতে পারেননি রমেশ। লিটু প্রায়ই আসতেন বাড়িতে তাগাদা দিতে। শেষে টাকা দিতে না পেরে মেয়েকেই তুলে দেন লিটুর হাতে। নিজের শ্বশুড়কে গিয়ে বলে আসেন, একা মেয়েকে দেখভাল করতে পারছেন না। লিটু জেনার পরিবার রয়েছে। তাই তাঁর কাছেই পাঠিয়েছেন মেয়েকে।
রমেশের বাবার এফআইআর-এর ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় রেখেছে পুলিশ। তার দেখভালের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
সুত্র : আজকাল



