
মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষের দপ্তরে চিঠি জমা দেন মনোজ টিগ্গা। জানা গেছে শুভেন্দু অধিকারীর দফতর থেকে মনোজ টিগ্গা এই চিঠি দিয়েছেন। অবিলম্বে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানানো হয়েছে চিঠিতে। ঐ চিঠি জমা পড়েছে বিধানসভার সচিবালয়ে।
চিঠিতে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। স্পিকারের ব্যক্তিগত সচিব এই চিঠি গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। মুকুল রায় যেদিনই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন সেদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার এই বিষয়ে শুভেন্দুকে পাল্টা আক্রমণ করলেন কুণাল ঘোষ।
কুণাল ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীকে এক হাত নিয়ে বলেন,রাজভবনের বারান্দায় ঘোরাঘুরি না করে নিজের বাবাকে আগে জ্ঞান দেওয়া উচিত। এদিক ওদিক না ঘুরে দলত্যাগ বিরোধী আইনটা আগে শুভেন্দু ওঁর বাবাকে গিয়ে শেখাক। বিধায়ক পদ খারিজের ব্যাপারটা দেখবেন স্পিকার।
স্পিকারের কাছে সবকিছু জমা পড়লে স্পিকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন। এর সাথে রাজ্যপালের কোনো সম্পর্ক নেই। আর শুভেন্দুর এদিক ওদিক ছুটেও লাভ নেই। শুভেন্দুর বাবা অর্থাত্ শিশির অধিকারীর নামে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা রয়েছে। তৃণমূলের দয়ায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দয়ায় লোকসভা গিয়েছিলেন শিশির অধিকারী।তিনি যখন ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তখন তাঁর সাংসদ পদ থেকে আগে ইস্তাফা দেওয়া উচিত ছিল বলে দাবি জানান কুণাল ঘোষ।
সুত্র : প্রথম কলকাতা



