
চুরি ঘটনা রাজ্যজুড়ে ঘটতেই থাকে। কিন্তু এই চুরির ঘটনা আর পাঁচটা ঘটনার চেয়ে একটু আলাদা। ‘এমএ পাশ চোর’কোনওদিন শুনেছেন? ঘটনাটা খোলসা করে বলা যাক। আসানসোলের বাসিন্দা সৌমাল্য চৌধুরীল নেশা ও পেশা চুরি করা। সম্প্রতি গয়না চুরির ঘটনার সূত্র ধরেই এই উচ্চশিক্ষিত যুবককে গ্রেপ্তার করল সাঁকরাইল থানার পুলিশ। গ্রেফতার হয়েছেন তার দুই সহযোগীও।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে ১০ লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না মিলেছে। সূত্রের আরও খবর, আসানসোল, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় মোট ২০টি চুরির ঘটনায় যোগ রয়েছে সৌমাল্যর। সম্প্রতি হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত দুইলা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ১০ ভরি সোনার গয়না চুরি করে চম্পট দেয় সৌমাল্য।
স্কুটিতে করে চম্পট দেওয়ার সময় ফ্লাটের এক আবাসিক স্কুটির নম্বরটি লিখে রাখেন। আর সেই স্কুটির নম্বর ধরেই গ্রেপ্তার হন সৌমাল্য চৌধুরী ও প্রকাশ শাসমল। এরপর পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আরও এক অভিযুক্ত মাধব সামন্তকে। হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাকরিয়া বলেন, মাধব সামন্তকে চুরির মাল বিক্রি করেছিল এরা। হাওড়াতে বিভিন্ন এলাকায় ৯টি চুরির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত।
সৌমাল্য চৌধুরী ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর পাস করেছে। কিন্তু তার নেশা এবং পেশা অভিনব। বাবা ছিলেন সরকারি আধিকারিক। গুণধর ছেলের এই কর্মকাণ্ডের জন্য মা জানতে পেরে আগে আত্মঘাতী হয়েছেন। তাতেও শোধরায়নি সৌমাল্য। সচ্ছল পরিবারের শিক্ষিত ছেলের এমন কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়া।
সূত্র : আজকাল



