রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও কমল সংক্রমণ, মৃত্যু ১৫

স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনে ফের সুখবর। আগের দিনের তুলনায় রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী। গত ২৪ ঘন্টায় মারণ ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৭০৫ জন। আগের দিন অর্থাত্ শুক্রবার রাজ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৭৩৯ জন। তবে দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও দৈনিক মৃত্যুর রেখচিত্র অবশ্য ঊর্ধ্বমুখী।
একদিনে নতুন করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ১৫ জন। তার মধ্যে দার্জিলিং ও নদিয়া জেলায় মারা গিয়েছেন চার জন করে। জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে পজিটিভিটি বা শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ রুখতে গত মাস তিনেক ধরে রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তার সুফল মিলতেও শুরু করেছে। দৈনিক সংক্রমণের গণ্ডি ২১ হাজারের ঘর থেকে এক হাজারের গণ্ডির নিচে নেমে এসেছে। অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে মারণ ভাইরাসের বেলাগাম সংক্রমণ।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে দৈনিক করোনা বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে আরও ৪৩ হাজার ৩২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৩টি। নয়া নমুনা পরীক্ষায় ৭০৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮৯০ জনে। দৈনিক সংক্রমণ স্বস্তি দিলেও দৈনিক মৃত্যু কিছুটা অস্বস্তি বাড়িয়েছে। একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন। যার ফলে করোনার মৃত্যুমিছিলে সামিল হলেন ১৮ হাজার ২৯১ জন। ১৫ জনের মধ্যে সাতজন উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা এবং আটজন দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দা।’
দৈনিক সংক্রমণের রেখচিত্রের পাশাপাশি আশার আলো জাগাচ্ছে দৈনিক সুস্থতার হার। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ‘গত ২৪ ঘন্টায় মারণ ভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭২১ জন। রাজ্যে এ নিয়ে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লক্ষ ৯ হাজার ৫২১ জন। সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ১৬ শতাংশে। একদিনে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা কমেছে ৩১ টি। সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৭৮ জনে।’
সূত্র: এই মুহুর্তে



