
লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে প্রত্যেক মহিলাকে মাসে এক হাজার টাকা এবং তফসিলি জাতি-উপজাতি ভুক্ত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মহিলাদের মাসে ১,২০০ টাকা করে দেওয়া হয়। বাজেট বক্তৃতায় লক্ষ্মীর ভান্ডারে অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধির উল্লেখ নেই। রাজ্য সরকারের বাজেট বইয়ে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর উল্লেখ এবং ওই প্রকল্পের জন্য কত মহিলা উপকৃত হয়েছেন তার উল্লেখ থাকলেও ওই প্রকল্পের জন্য বাড়তি অর্থ বরাদ্দ বা মাথাপিছু অর্থ বাড়ানোর কথার কোনও উল্লেখ নেই।
বাজেট বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ২.২১ কোটি মহিলা উপকৃত হয়েছেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারে মাথাপিছু অর্থ বৃদ্ধি করা হবে কি না, সে বিষয়ে বিকেলের সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন করা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি জানান, সেটি পরবর্তী সময়ে দেখা হবে। পাশাপাশি কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, ঐক্যশ্রীর মতো অন্য প্রকল্পগুলিতে কত জন উপকৃত হয়েছেন সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বাজেট পুস্তিকায়।
আরও পড়ুন :: দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল, আত্মবিশ্বাসী মমতা
লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের উল্লেখ অবশ্য বাজেট পুস্তিকায় রয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, “নারী ক্ষমতায়ণ বৃদ্ধির উদ্দেশে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ জননীতিভিত্তিক প্রকল্প রূপায়িত করছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী প্রকল্প, রূপশ্রী প্রকল্প ইত্যাদি। এই প্রকল্পগুলি রাজ্যের নারীদের জীবনের বিভিন্ন পর্বকে গভীর ভাবে ছুঁয়ে আছে।”
অনেকের আবার বক্তব্য, তার আগেও আলাদা করে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে মাথাপিছু অর্থের পরিমাণ বাড়াতে পারেন মমতা। অনেকেই ভেবেছিলেন, বাজেটেই ওই মাথাপিছু অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে ২০২৬ সালের ভোটের আগে ওই পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের ধারণা। অনেকের ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ভোটের ছ’মাস আগে ওই বর্ধিত পরিমাণ ঘোষণা করতে পারেন।



