আন্তর্জাতিক

মোদি-জিনপিং-পুতিন একমঞ্চে, গ্লোবাল সাউথের উত্থানে অস্বস্তি আমেরিকার

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

মোদি-জিনপিং-পুতিন একমঞ্চে, গ্লোবাল সাউথের উত্থানে অস্বস্তি আমেরিকার - West Bengal News 24

চিনে আগামী সপ্তাহে বসতে চলেছে এসসিও সম্মেলন। সেই মঞ্চেই একসঙ্গে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কুড়িরও বেশি দেশের রাষ্ট্রনেতা থাকবেন এই বৈঠকে। ফলে গ্লোবাল সাউথের ক্রমবর্ধমান শক্তির এই ছবি নিশ্চিত ভাবেই অস্বস্তি তৈরি করবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য।

৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রথমবারের জন্য চিন সফর করবেন মোদি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক মঞ্চে মোদি, জিনপিং ও পুতিনের উপস্থিতি কূটনৈতিক দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। পশ্চিমী বিশ্ব যেখানে ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে পুতিনকে এড়িয়ে চলছে, সেখানে ভারত কিন্তু মিত্র দেশের পাশে থেকেছে। গত সপ্তাহেই দিল্লিতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, রাশিয়া শিগগিরই ভারত ও চিনের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক করবে।

এদিকে চিনা গবেষণা সংস্থার সম্পাদক এরিক ওলান্ডার মন্তব্য করেছেন, “জিনপিং চাইছেন সম্মেলনকে ব্যবহার করে মার্কিন আধিপত্য থেকে মুক্ত আন্তর্জাতিক দুনিয়ার ছবিটা কেমন হতে চলেছে তা তুলে ধরা। মনে রাখতে হবে গত জানুয়ারি থেকে চিন, ইরান, রাশিয়ার পর ভারতের বিরুদ্ধেও আক্রমণাত্মক হয়েছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এতে কোনও প্রভাব পড়েনি।”

প্রসঙ্গত, মার্কিন চাপ মোকাবিলা করতে ভারত ও চিনের একজোট হওয়ার বার্তা বারবার এসেছে বেজিংয়ের তরফে। এমনকি বিশ্ব মঞ্চে ‘হাতি ও ড্রাগনের নাচ’ দেখানোর ডাকও দিয়েছিল চিন। ফলে মোদির এই সফরের প্রধান লক্ষ্য এসসিও সম্মেলন হলেও এর আড়ালে অন্য কূটনৈতিক সমীকরণ রয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন ::

Back to top button