১০টা নেতা সামলাতে পারে না, দেশ সামলাবে : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘরে বাইরে আঘাতে আঘাতে দীর্ন হচ্ছে রাজ্য বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না ঘাসফুল শিবিরও। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফের একবার খোঁচা দিলেন বিজেপিকে। বুধবার বহরমপুরে বজ্রপাতে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অভিষেক ফের বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে মুখ খুলেছেন। বলেছেন, ‘১০টা নেতাকে এক ছাতার তলায় আনতে পারে না, ১৩০ কোটির দেশ কী ভাবে সামলাবে?’ একুশের ভোটের আগে রাজ্যে প্রচারে এসে গ্রামবাসীদের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা।
আর এই প্রসঙ্গ তুলে বারবারই বিজেপিকে আক্রমণ করেছে তৃণমূল। এ বারও বহরমপুরে দাঁড়িয়ে একই কথা বললেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘যাতা কলাপাতায় ভাত খেত, খাটিয়ায় বসে ছবি তুলত, তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। মার্চ-এপ্রিলে এই ট্যুরিস্ট গ্যাংকে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের এখন অনবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখা যাচ্ছে না।’
গত ২-৩ দিন ধরেই শুভেন্দু অভিষেক বিবাদ কার্যত তুঙ্গে উঠেছে। এদিন সেই শুভেন্দুকে আক্রমণ করতে গিয়ে অভিষেক বলেছেন, ‘উনি জ্ঞান হারিয়েছেন। আগে নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটান। ১০টা নেতাকে এক ছাতার তলায় যারা আনতে পারে না, তারা ১৩০ কোটির দেশ কী ভাবে সামলাবে, তা জনতাই বুঝে নিক। বিজেপিকে সুখে পাবেন না, দুঃখের সময় পাবেন।
রাজ্য সরকার ও তৃণমূল সারা বছর থাকবে।’ বস্তুত গতকালই শুভেন্দু বলেছিলেন অভিষেক তাঁর লেবেলের নেতা নন। আর সেই প্রসঙ্গে অভিষেকও পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে বলেছিলেন, ‘ওনার লেবেলটা কী তাহলে সেটা ওনাকেই বলতে বলুন। সেটা যদি ত্রিপল চুরি করা হয় তাহলে আর বলার কিছু নেই।’ সেই আক্রমণের পরে এদিন অভিষেক সাফ জানালেন, ‘উনি জ্ঞান হারিয়েছেন।’
সুত্র : এই মুহুর্তে



