
বিধি নিষেধ আলগা হতেই করোনা ভাইরাস ভুলতে বসেছে সাধারণ মানুষ। শুধু কলকাতা বা পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতেও নয়। রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই মানা হচ্ছে না কোভিড বিধি। আবারও এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনকে কড়া চিঠি নবান্নের।
মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীর লেখা ওই চিঠিতে, ‘এখনই ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাবে।’ বিশেষ করে নাইট কার্ফুতে যাতে সাধারণ মানুষ বাড়ি থেকে না বের হন তার জন্য আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকটি জেলা প্রশাসনকে।
বেশিরভাগ জেলাতেই সাধারণ মানুষ মাস্ক পরা আর প্রয়োজন মনে করছেন না। স্যানিটাইজারের ব্যবহার করছেন না। এমনকী, নাইট কার্ফুর তোয়াক্কা না করেই এসে পড়ছেন রাস্তায়। একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর এবার জেলা প্রশাসনকে আরও কড়া চিঠি দিলেন মুখ্যসচিব। যেখানে বলা হয়েছে, ‘হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকানদার কেউই নিয়ম মানছে না।
রাত ন’টার পরেও খোলা থাকছে চা, পান, বিড়ির দোকান। কড়া ভাবেই মানতে হবে কোভিড বিধি। স্রেফ নাকা চেকিং করেই ক্ষান্ত থাকলে হবে না। নজরদারি বাড়াতে হবে চেক পয়েন্ট গুলিতেও।’ বিধি নিষেধ কিছুটা শিথিল হলেও এখনও রাজ্য জুড়ে চলছে রাত ৯ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু। কিন্তু তা মানছেন না কেউই। সম্প্রতি রাতের পার্ক হোটেল উইকএন্ড হৈ-হুল্লোড়ের খবর শিরোনামে উঠে আসে। ওই ঘটনায় শহর জুড়ে মোট ৮৩০ জনের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে।
নাইট কার্ফু মানা নিয়ে এর আগেই ১৭ জুলাই রাজ্যের সব জেলাশাসক ও জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তাদের সঙ্গে একটি বৈঠকে মুখ্য সচিব জানিয়েছিলেন, বিধি না মানলে প্রয়োজনে জরিমানা চালু করতে হবে। করোনার তৃতীয় ঢেউ কিভাবে মোকাবিলা করা হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল বৈঠকে।
সূত্রের খবর, সর্বত্র দোকান-বাজারের খুলে রাখার সময়ের অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বেশ কিছুক্ষণ। ওই বৈঠকেই রাজ্যের গাইডলাইন না মানলে মহামারী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলাশাসকের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। এদিন পাঠালেন লিখিত চিঠি।
সূত্র : এই মুহুর্তে



