
নারীর অধিকার, ঘরোয়া হিংসা রদ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সাইবার ক্রাইম, শিশু শ্রম, নেশার প্রভাব, আদিবাসীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে বেলিয়াবেড়া ব্লকের আদিবাসী অধ্যুষিত চৈনিশোল গ্রামে সোমবার এক আইনি সচেতনতা শিবির হল।
ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের পরিচালনায় এবং স্থানীয় চৈনিশোল ব্যাপটিস্ট চার্চের ব্যবস্থাপনায় চার্চের মাঠে আয়োজিত ওই শিবিরে গ্রামবাসীদের আইনি সচেতন করেন জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব তথা বিচারক সুক্তি সরকার। শিবিরে উপস্থিত চৈনিশোল গ্রামের নীলমণি মান্ডি জানান, তাঁর স্বামী তিন বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন।

স্থানীয় আমদাপাল ডাকঘরে স্বামীর নামে টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে জমানো টাকা তোলার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। ব্লকের পার্শ্ব আইনি সহায়ক রিতা দাস দত্তের সহযোগিতায় জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে একমাসের মধ্যেই নীলমণি সেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। শিবির শেষে দিলীপ টুডু, সুমিতা টুডু, রাজকুমার টুডু, পূর্ণিমা সিং, ঝুমা পালোই, আলপনা খামরিদের হাতে প্রতিবন্ধী শংসাপাত্র তুলে দেন সচিব তথা বিচারক সুক্তি সরকার।
উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী কোহিনূরকান্তি সিনহা, খাড়বান্ধি পঞ্চায়েতের প্রধান সীতা সরেন, জেলা পরিষদ সদস্য পুষ্প নায়েক, চৈনিশোল ব্যাপটিস্ট চার্চের সভাপতি চিরঞ্জিৎ হাঁসদা। ব্লকের পার্শ্ব আইনি সহায়ক রিতা দাস দত্ত জানান, এলাকার কয়েকজন প্রতিবন্ধীর শংসাপত্র ছিল না। কিভাবে ওই শংসাপত্র পেতে হয় তাঁরা জানতেন না। সংশ্লিষ্ট মহলে যোগাযোগ করে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে শংসাপত্রের ব্যবস্থা করা হয়। এদিন সচিব তথা বিচারক উপভোক্তাদের হাতে শংসাপত্র গুলি তুলে দেন।



