
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনকে (CJP Protest) ঘিরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা বাড়ছে। নিট কেলেঙ্কারিতে পড়ুয়াদের ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে অনশনে যোগ দিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের দাবি, তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে অবিলম্বে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ করতে হবে।
গত সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ‘সংসদ অভিযান’কে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মঙ্গলবারও রাজধানীর পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের ধরনা কর্মসূচি থেকে রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়। পড়ুয়াদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী। এবার একই অবস্থান জানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ালেন টলিউড অভিনেতা জিৎ (Jeet)।
আরও পড়ুন :: ‘বিদেশিদের কাঠের পুতুল, পরিণতি হবে … ’, যন্তর মন্তরের ‘ককরোচ’ বিক্ষোভ নিয়ে দিলীপের ভবিষ্যদ্বাণী
পড়ুয়াদের এই প্রতিবাদকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করা উচিত নয় বলেই মনে করেন জিৎ। সমাজমাধ্যমে অভিনেতা লিখেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমকে কখনই বিফলে যেতে দেওয়া উচিত নয়। স্বচ্ছ বিচারের যোগ্য দাবিদার। এই মুহূর্তে প্রত্যেককে দায়িত্ববান হতে হবে। এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে রাজনীতিতে ফায়দা তোলার সময় নয়।’

প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছেন অভিনেতা। এত পরিশ্রমের পরেও কেন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল, সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দেশের যুবসমাজের প্রাপ্য বলেও মনে করেন তিনি। প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জিৎকে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল। এরপর পদ্মশিবিরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও অভিনেতা সেই সম্ভাবনার কথা অস্বীকার করেছিলেন।
‘সিজেপি’র আন্দোলন নিয়ে এর আগেই সরব হয়েছিলেন টলিপাড়ার একাংশ। নিট কেলেঙ্কারির কারণ প্রকাশ্যে আনা এবং সরকারের ভূমিকা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বিভিন্ন মহল থেকে। কিছুটা পরে হলেও একই দাবি সামনে আনলেন ‘বিপ্লবী’ জিৎ। তাঁর কথায়, ‘নিট শুধুমাত্র একটি পরীক্ষা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন, পরিবারের আশা।’
ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে জিৎ আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ন্যায্য বিচার হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে এটাও নিশ্চিত করা উচিত ভবিষ্যতে যেন এধরনের ঘটনার পুনর্বৃতি না ঘটে। আমাদের দেশের ছাত্রসমাজ এই অনভিপ্রেত ঘটনার নেপথ্যে কী কারণ তা জানার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।’



