রাজ্য

হোয়াটসঅ্যাপে মহিলাকে ‘কুপ্রস্তাব’ দিয়ে বিতর্কের মুখে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

হোয়াটসঅ্যাপে মহিলাকে ‘কুপ্রস্তাব’ দিয়ে বিতর্কের মুখে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল চল্লিশোর্ধ্ব এক মহিলা ও রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) চ্যাট। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে কানাঘুষো। তবে ওই চ্যাটের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন। ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওই সাংসদকে সতর্ক করা হয়েছে। ওনাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।”

ওই চ্যাট ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে নানারকম মন্তব্য। একাংশের কথায়, সাংসদ জগন্নাথবাবু নাকি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ওই মহিলার সঙ্গে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি সাংসদের। এমনকী ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনাটি জানিয়ে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেই জানান তিনি। বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক পুলিশ, আমি চাইছি।

আমি সাইবার ক্রাইম থানায়ও অভিযোগ দায়ের করেছি।” তবে এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি সাইবার ক্রাইম থানার আইসি রাজেশ কুমার গুপ্তা। জেলার এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিক মঙ্গলবার সন্ধের পর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “জগন্নাথ সরকার সাইবার ক্রাইম থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি।”

আরও পড়ুন : এবার ঝাড়গ্রাম জেলার ‘শিক্ষারত্ন’ বাণীপদ পাত্র

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালিত পুলিশ অভিযোগের কথা স্বীকার করতে চাইছে না। এটা একটা গভীর চক্রান্ত। ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এই বদনাম ছড়ানো হচ্ছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যেতে হবে বলে পুলিশের লোকজন আমার অভিযোগের কথা স্বীকার করছে না।” ভাইরাল মেসেজ প্রসঙ্গে সাংসদ আরও বলেন, “অনেক রকমভাবে আমাকে অপমান অপদস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

একাধিক মানুষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান, করেনও। যা তৃণমূলের কাছে গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ একটি সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের লোকজন ফেক চ্যাট ব্যবহার করে আমাকে অপদস্ত করার চেষ্টা করছে।”

 

সুত্র: সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্য করুন ..

আরও পড়ুন ::

Back to top button