‘যখন যেখানে চাইবেন…’, ‘ককরোচ’দের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত মোদি সরকার, রাহুলদেরও বিশেষ বার্তা
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

‘ককরোচ’দের সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রীয় সরকার সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার এমনই বার্তা দিল মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত চারবার সরকারের পক্ষ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP Protest Delhi) প্রতিনিধিদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীরা যে সময় এবং যে জায়গায় চাইবেন, সেখানেই বৈঠক হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংসদে কবে আলোচনা হবে, সেই সিদ্ধান্ত বিরোধীদের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার জিতেন্দ্র জানিয়েছেন, “আমাদের কোনও ইগো নেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা অফিসে আলোচনা হতে পারে। ককরোচদের সঙ্গে আমি এবং নাড্ডা বৈঠকে বসব। আলোচনার মাধ্যেমেই ধীরে ধীরে সমস্যা সমাধান হতে পারে। সরকার গোটা বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ করেছে। পড়ুয়াদের কল্যাণের জন্য সরকার কাজ করছে। আমি সকলকে অনুরোধ জানাই আলোচনার টেবিলে বসার জন্য।” প্রসঙ্গত, সোমবার ‘ককরোচ’ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন নাড্ডা। যদিও সেই আলোচনার পরেও আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়নি।
আরও পড়ুন :: বড় ধাক্কা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! ৮টি মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাইকোর্ট, চরম উদ্বেগে তৃণমূল
একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলিকেও আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্র। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন। সাংসদেরাও নিজেদের মতামত তাঁর কাছে তুলে ধরেছেন। এরপর রিজিজু বলেন, “বিরোধীরা যে দিন, যে ভাবে, যতক্ষণ ধরে আলোচনা করতে চাইবে, সরকার তাতেই রাজি। আমরা তৈরি, কিন্তু আপনারা শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন। কোনও অজুহাত দেবেন না। শর্ত বা অজুহাত দিলেই সবাই বুঝে যাবে যে আপনারা আসলে আলোচনা এড়িয়ে যেতে চাইছেন।” উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করলে আলোচনায় অংশ নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালেই পড়ুয়াদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানিয়েছিলেন, “ছাত্রদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে কিছুই নয়। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করবে না সরকার। দেশের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করাটাই আমাদের লক্ষ্য।” প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে দ্রুত শাস্তি দিতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করা হবে বলে



