
ভোট মিটতেই ও ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যের নানা প্রান্তে আক্রান্ত বিজেপি। দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙার খবর আবার কোথাও খুনের অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। যার জেরে গতকাল থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দলীয় কর্মীদের খুন ও অত্যাচারের কথা শুনেই আজ দিল্লি থেকে উড়ে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। পশ্চিমবঙ্গে এসেই সোজা সোনারপুরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে রাজ্যের নবনির্বাচিত শাসকদলকে তুলোধোনা করেছেন নাড্ডা।
এদিন তিনি জানিয়েছেন, ‘মমতা ব্যানার্জী ক্ষমতায় এসেই ফের আতঙ্কের, তোষণের রাজনীতি শুরু করেছেন। ওনার আমলেই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মহিলা ধর্ষিতা হয়েছেন, অ্যাসিডে আক্রান্ত হয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের উপর এই হামলা আমরা মেনে নেব না। বাংলায় ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য যতদূর লড়াই করার করব। দেশের কোটি কোটি বিজেপি কর্মীরা বাংলার কর্মীদের পাশে রয়েছে।’
গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজ্যে মোট ১১ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপবাবু। রাজ্যে শান্তি বজায়ের জন্য ও বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য গতকালই রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানান দিলীপ-সায়ন্তনরা। সোনারপুরের গোপালপুরে কিংবা হাওড়ায় নির্বাচন পরবর্তীতে হিংসা ছড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে ফোনালাপ সারেন নরেন্দ্র মোদি।
সূত্র :এই মুহুর্তে



