
শেষ দিনের পঞ্চম হোলের শেষে জনৈক ধারাভাষ্যকার মহিলা গল্ফের প্রথম ত্রয়ীর বর্ননা দিতে গিয়ে বলছিলেন – বিশ্বের ১ নম্বর, ২০০ নম্বর ও প্রাক্তন ১ নম্বর তিনজনেই ক্রমতালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে। হ্যা, বিশ্বের ২০০ নম্বর অর্থাত্ ভারতের অদিতি অশোক ধারাবাহিক ভাবে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স করে উঠে এসেছিলেন প্রথম স্থানে।
দীর্ঘ এক শতাব্দীর পর রিও অলিম্পিকে প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল গল্ফের। তত্কালীন সময়ে দেশের সেরা মহিলা গল্ফার ১৮ বছরের অদিতি রিও’র সর্বকনিষ্ঠা প্রতিযোগী ছিলেন। দুর্দান্ত শুরু করেও সেখানে যুগ্ম ভাবে ৪২ তম স্থান পেয়েছিলেন ভারতীয় গল্ফার।
টোকিও অলিম্পিকে পরপর তিনদিন দুর্ধর্ষ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছিলেন বিশ্বর্যাঙ্কিংয়ের ২০০ নম্বর বেঙ্গালুরুর মেয়ে অদিতি। পদক সম্ভাবনা জেগেছিল গোটা দেশে।
প্রতিযোগীতার অন্তিম ও নির্নায়ক দিনেও অদিতি ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন। ৫, ৬, ৮ নম্বর হোলে বার্ডি পেয়ে ক্রমতালিকার প্রথম স্থানেও উঠে আসেন ভারতীয় গল্ফার। তবে তৃতীয় দিনের মতোই ৯, ১১ নম্বর হোলে বোগি পাওয়ায় এক সময় চতুর্থ স্থানে নেমে যান অদিতি।
১৩, ১৪ নম্বর হোলে চাপের মুখে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে বার্ডি পেলেও পরের তিনটি হোলে পার পাওয়ায় এগোতে পারেননি ভারতীয় গল্ফার। শেষ হোলটিতে বার্ডি পেলে পদক জিততে পারতেন অদিতি। অল্পের জন্যে বার্ডি পাননি তিনি। ১৫ আন্ডার ২৬৯ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানেই থাকলেন অদিতি।
সুত্র : প্রথম কলকাতা



