
রেলের ভুয়ো এজিএম পরিচয় দিয়ে ট্রেনে ভ্রমণের অভিযোগে এক যুবককে পাকড়াও করল রেল পুলিশ। যদিও জামিন যোগ্য ধারায় রেল পুলিশ মামলা রুজু করায় অভিযুক্ত বছর কুড়ির সৌরীশ বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার রাতেই ঝাড়গ্রাম আরপিএফ পোস্ট থেকে ব্যক্তিগত বন্ডে ছাড়া পেয়ে যান।
সৌরীশের বাড়ি ঝাড়গ্রাম শহরের বলরামডিহি এলাকায়। তাঁর বাবা একটি সমবায় ব্যাঙ্কের কর্মী। মা গৃহবধূ। বাড়িতে দিদিও আছে। বেশি দূর পড়াশোনা করেননি তিনি। সৌরীশের আইনজীবী সায়ক ভদ্র বলেন, ‘‘বিনা ভ্রমণে টেনে ভ্রমণ জামিনযোগ্য অপরাধ। তাই আমার মক্কেল বেলবন্ড পেয়েছেন।’’
অন্যদিকে রেল পুলিশের আইনজীবী সুরজিৎ ঘোষের দাবি, ‘‘জামিনযোগ্য ধারা থাকায় অভিযুক্ত আরপিএফ আউটপোস্ট থেকে বেলবন্ডে ছাড়া পেয়ে যান। পরে তাঁর জামিন বাতিলের জন্য রেল পুলিশ আবেদন করতে চেয়েছিল। কিন্তু একবার জামিন হলে সেটা আর করা যায় না।’’ সৌরীশের দাবি, তিনি ২০২০ সাল থেকে খড়্গপুরে যাতায়াত করছেন।
একটি সংস্থা তাঁকে রেলের সহকারি চালকের কাজ দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। যদিও রেলের দাবি, পুরোটাই ভুয়ো। ওই যুবক রেলের ভুয়ো এজিএম পরিচয় দিয়ে সফর করার সময়ে টিকিট পরীক্ষকের হাতে ধরা পড়েন।
সৌরীশ খড়্গপুর থেকে শালিমার-মুম্বইগামী একটি ট্রেনে চড়েছিলেন রবিবার সন্ধ্যায়। এসি স্লিপার ক্লাসে তিনি ওঠেন। তখনই টিকিট পরীক্ষক তাঁক কাছে টিকিট চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।
উল্টে নিজেকে রেলের অফিসার পরিচয় দিয়ে ধরা পড়েন। তাঁর কাছ থেকে একটি ভুয়ো পরিচয়পত্রও মিলেছে।



