
প্রতি বছরের মতই এবারও মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়েই অসংখ্য পুজোর উদ্বোধন হয়েছে। মহালয়ার সন্ধেয় প্রতিমায় চক্ষুদানের মাধ্যমে চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পুজোর সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক বছরের মতো এবারেও মূর্তির চোখ আঁকেন তিনি। এদিন চেতলার পুজো মণ্ডপ থেকে ভার্চুয়ালি ২৫০-র বেশি পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে ফিরহাদ হাকিমকে উদ্দেশ্যে করে তাঁর কড়া বার্তা, পুজোয় রাস্তা যেন বন্ধ না হয়।
১ সেপ্টেম্বর থেকেই বঙ্গে শুরু পুজো। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রস্তুতি পর্ব প্রায় শেষ পর্যায়ে। অবশ্য অনেক পুজো মণ্ডপে কাজ শেষ। মহালয়ার বিকেলে কলকাতা ও জেলার কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন চেতলায় আসার আগে জাগো বাংলার পুজো সংখ্যার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন করেন নিজের লেখা, সুর দেওয়া ও নিজের কন্ঠে গাওয়া গানের সিডিও। এছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার সেলিমপুর, বাবুবাগান, যোধপুর পার্ক, যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লীর পুজোর উদ্বোধন করেন তিনি মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন :: পুজোতে এবার প্রকাশ্যে মমতার নতুন ‘গানের অ্যালবাম’…
উদ্বোধন পর্ব শেষে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ সজ্জা ও প্রতিমার প্রশংসা করেন তিনি। কলাগাছ ব্যবহারের অপূর্ব পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সাফ জানিয়েছেন, চেতলার পুজোর কারণে মূলত ভিআইপিদের প্রবেশে সুবিধার জন্য যেন রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেওয়া না হয়। সাধারণ মানুষ যাতে কোনরকম সমস্যায় না পড়েন বা কোন অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, অনেক সময় দেখা যায় কলকাতার কিছু বড়ো পুজো মণ্ডপে ভিআইপিতে প্রবেশের কারণে যথেষ্ট জ্যাম সৃষ্টি হয় রাস্তায়। প্রতিমা দর্শনে মণ্ডপের বাইরেও দীর্ঘ লাইন পড়ে যায় সাধারণ মানুষের। কিন্তু সেই পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে ফিরহাদ হাকিমকে অগ্রিম সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী।



