রাজ্য

‘৫ মন্ত্রী নিয়ে এসেছি, রাস্তা বন্ধ হয়নি’, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর, দুর্গাপুরে শিল্প ও উন্নয়নের আশ্বাস

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Suvendu Adhikari CM : ‘৫ মন্ত্রী নিয়ে এসেছি, রাস্তা বন্ধ হয়নি’, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর, দুর্গাপুরে শিল্প ও উন্নয়নের আশ্বাস - West Bengal News 24

আগের সরকারের আমলেও বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হত। সেই বৈঠক ঘিরে কোটি কোটি টাকার খরচ হত বলেও অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে হোটেল ও স্যুট বুকিংয়ের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল। তবে বর্তমান সরকারের আমলে প্রশাসনিক বৈঠকের নামে অযথা খরচ নয়, উন্নয়নই মূল লক্ষ্য বলে বার্তা দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে বন্যা মোকাবিলা থেকে শিল্পায়ন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

বর্ষা আসতে আর বেশি দেরি নেই। সেই কারণেই এদিনের বৈঠকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার রূপরেখা তৈরি করে প্রশাসন। প্রতি বছর দামোদরের জল ছাড়ার ফলে দুর্গাপুর, আসানসোল, হাওড়া ও হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এই ইস্যুতে অতীতে ডিভিসির সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাতও কম হয়নি। এমনকী একসময় পরিস্থিতি এতটাই তীব্র হয়েছিল যে ডিভিসি থেকে নিজেদের প্রতিনিধি প্রত্যাহার করে নেয় বাংলা। তবে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বর্ষাকালে দ্রুত ও কার্যকরভাবে বন্যা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যে রাজ্যকে মোট পাঁচটি প্লাবনপ্রবণ জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোনগুলি হল নিম্ন দামোদর, ঘাটাল, কান্দি, উত্তরবঙ্গ এবং মালদহ। শুভেন্দু বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে সব সমস্যা এখনই সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তবে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে।”

আরও পড়ুন :: ভোটে পরাজয়ের পর বড় ধাক্কা, পঞ্চায়েতের সদস্যপদ ছাড়লেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর

প্রশাসনিক বৈঠকের শেষে শিল্প নিয়েও বড় বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুরে কার্যত ‘শিল্পখরা’ তৈরি হয়েছিল, যার জেরে বেকারত্ব বেড়েছে। তবে বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি বদলাতে বদ্ধপরিকর বলেই দাবি শুভেন্দুর। ধাপে ধাপে দুর্গাপুরে নতুন শিল্প গড়ে উঠবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কথা কম, কাজ বেশি। দেউচা পাচামির মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আমরা দেব না।”

উল্লেখ্য, দেউচা পাচামিতে প্রায় ২১০ কোটি ২০ লক্ষ টন কয়লা মজুত রয়েছে। কয়লার ভাণ্ডারের নিরিখে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং এশিয়া তথা ভারতের বৃহত্তম খনি হিসেবে পরিচিত। এই প্রকল্প ঘিরে একাধিকবার কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। ফলে বর্তমান বিজেপি সরকারের শিল্প ও কর্মসংস্থানের আশ্বাসে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

আরও পড়ুন ::

Back to top button