রাজনীতিরাজ্য

২১ জুলাইয়ের আগে বড় ধাক্কা! অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় আদালত কী জানাল?

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

২১ জুলাইয়ের আগে বড় ধাক্কা! অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় আদালত কী জানাল? - West Bengal News 24

ঘনিয়ে আসছে ২১ জুলাই। প্রতি বছরের মতো এবারও এই মেগা সমাবেশকে ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু এরই মাঝে চরম অর্থসংকটে জেরবার জোড়া-ফুল শিবির। অরূপ বিশ্বাসের চিঠি এবং পরবর্তী সময়ে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের পালটা চিঠির জেরে বর্তমানে ফ্রিজ হয়ে রয়েছে তৃণমূলের তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

এই পরিস্থিতিতে দলের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও লেনদেন সচল রাখতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট শিবির। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতেও মেলেনি চটজলদি স্বস্তি। আদালত এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও নির্দেশ দেয়নি।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকার কারণে দুই শিবিরই তীব্র আর্থিক সমস্যায় পড়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে সব পক্ষই একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রস্তাব দেয়। আবেদন জানানো হয় যে, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখা অবস্থাতেই দলের দৈনন্দিন খরচের জন্য একজন ‘যুগ্ম স্পেশাল অফিসার’ (Joint Special Officer) নিযুক্ত করা হোক।

আরও পড়ুন :: ‘আমার সুন্দরী ছোট বোন…’, দিল্লিতে জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে কেন এমন সম্বোধন করলেন মোদি?

তবে আদালত এদিন এই প্রস্তাবে সিলমোহর দেয়নি। বদলে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে অ্যাকাউন্টে ঠিক কত টাকা রয়েছে, সেই অর্থের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ২১ জুলাইয়ের ঠিক মুখে বুধবারের শুনানির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পর থেকেই কার্যত আড়াআড়ি বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ক। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘বিদ্রোহী’ শিবির নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করছে।

  • কমিশনে লড়াই: উভয় শিবিরই সংগঠনের নিজস্ব পদাধিকারী নিয়োগ করে নির্বাচন কমিশনে নাম পাঠিয়েছে।

  • টাকার চাবিকাঠি কার হাতে? দলের অভ্যন্তরীণ এই চরম কোন্দলের কথা উল্লেখ করেই তৃণমূলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানিয়েছিলেন দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস। অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবিরও আইনি ব্যবস্থার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে।

এর আগে সোমবারই এই মামলার জরুরি শুনানির দাবি জানিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল কালীঘাট শিবির। মঙ্গলবারও শুনানি পিছিয়ে বৃহস্পতিবার ধার্য করা হয়েছিল। মামলার জটিলতা প্রসঙ্গে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আগেই জানিয়েছিলেন, সোমবারই তিনি মামলার নথি হাতে পেয়েছেন, ফলে তড়িঘড়ি শুনানি সম্ভব ছিল না।

এখন দেখার, আগামী বুধবারের শুনানিতে স্পেশাল অফিসার নিয়োগের আর্জি মঞ্জুর হয় নাকি ২১ জুলাইয়ের আগে আর্থিক অচলাবস্থা আরও জটিল রূপ নেয়!

আরও পড়ুন ::

Back to top button