টলিউড

কলকাতার গলিতে উত্তাপ ছড়ালেন ছোটোপর্দার ঝিলিক, ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল সেই ছবি

“তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা” এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে ছোট্ট ঝিলিক বঙ্গবাসীর মনে এখনো গেঁথে আছেন। এই ধারাবাহিকের ছোট্ট ঝিলিক মায়ের ভালোবাসার জন্য এদিক ওদিক ঘুরে বেড়িয়েছেন। মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার সংগ্রাম ছিল মা সিরিয়ালের মূল উপজীব্য। দীর্ঘ সাত বছর ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল এই ধারাবাহিক। অবশেষে এই ছোট্ট ঝিলিক নিজের মায়ের ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছিল। সেই ছোট্ট ঝিলিক এখন রীতিমত বড়ো হয়ে গিয়েছে। ঝিলিকের ভালো নাম তিথি বসু। কিন্তু এই নামে তাঁকে খুব কম জনই চেনে। তিথির থেকে ঝিলিক নামই বেশি জনপ্রিয়।

সময়ের সাথে সাথে সে এখন অনেকটা বড় হয়ে গিয়েছে। ছোটবেলার মিষ্টতা এখনও আছে ঠিকই তবে বয়সের সঙ্গে বোল্ডনেসের মাত্রা ছাড়িয়েছেন তিথি। তিথি এখন সাইকোলোজি নিয়ে কলেজে পড়েন। আবারো প্রেমও করছেন। নিজের প্রেমিক দেবায়ুদ পালকে নিয়ে বেজায় খুশি অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে তিথি অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের চেয়ে অনেক বেশি অ্যাক্টিভ। তিনি এখন অভিনয় না করলেও নিজের ফটোশুটে ঘায়েল করছে বহু পুরুষ মন।

আরও পড়ুন : পাকিস্তানি যুবককে পছন্দ অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির!

এই লকডাউনে বাড়ির ছাদে বেশ হট ছবি তুলে ভাইরাল হয়েছিলেন। তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে রয়েছে ৭৮ হাজারেরও বেশি ফলোয়ার। দিন দিন ফলোয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফটোশুটের পাশাপাশি নিজের অভিনয়ের কাজ সংক্রান্ত ছবিও শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। শেষবার তিথি বসুকে স্টার জলসার “ময়ূরপঙ্কী” ধারাবাহিকে একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এই ধারাবাহিকে নিজের অভিনয়ে মুগ্ধ করেছিলেন দর্শকমহল।

শাড়ি হোক কিংবা ওয়েস্টার্ন সব ধরনের পোশাকেই সমান স্বচ্ছন্দ তিনি। সেইসব ছবি সবসময় ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি পুজোতে স্লিভলেস কালো ব্লাউজ আর লাল শাড়িতে মাত করেছিলেন নিজের ইন্সটাগ্রাম। লাল টিপে আর হাল্কা সাজে মাত করেছিলেম তিথি বসু। প্রতিদিন কোনো কোনো নতুন ছবি পোস্ট করে থাকেন। আবারো সাদা ক্রপ ওয়ান পিস আর খোলা চুলে স্লিঙ ব্যাগ আর বোল্ড মেক আপে আর হাতে ঘড়ি নিয়ে উত্তর কলকাতার অলি গলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সূর্যের আলোর আভা তিথির মুখে এসে পড়েছে। ক্যপশানে অভিনেত্রী লিখেছেন, “সান কিসড্ মি”। ছবি শেয়ারের সাথে সাথে লাইকের বন্যা বয়ে চলেছে। নিমেষে এই নতুন ফটোশুট ভাইরাল।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Tithi Basu (@c_h_i_r_p_s)

আরও পড়ুন ::

Back to top button