রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী কি টিকা আবিষ্কার করেছেন? : দিলীপ ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রী কি টিকা আবিষ্কার করেছেন? : দিলীপ ঘোষ - West Bengal News 24

এখনও রাজ্যে এসে পৌঁছায়নি করোনা ভ্যাকসিন। তার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শাসক দল বলছে রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দিতে চায় সরকার। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির দাবি কেন্দ্রীয় সরকার আগেই দেশের মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসে, তাতে লেখা রয়েছে, আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের সরকার রাজ্যের সমস্ত মানুষের কাছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।

বাংলার সমস্ত পুলিশ,হোমগার্ড,আসামরিক প্রতিরক্ষা স্বেচ্ছাসেবক, সংশোধনাগার ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদের কাছে আমরা এি ভ্যাকসিন পৌঁছে দেব।

সূত্রের খবর, মমতার স্বাক্ষর করা এই চিঠি ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে।

পুলিশ সূত্রের খবর করোনায় আক্রান্ত পুলিশ কর্মী ও অফিসারদের নাম, ঠিকানা, বয়স ও আক্রান্তের দিনক্ষণ জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারপরেই অনেক পুলিশ কর্মী ও অফিসারদের নিদিষ্ট একটি মোবাইল নম্বরে পৌঁছে যাচ্ছে এই মোবাইল বার্তা।

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ভাঙা হচ্ছে বিজেপি অফিস, উত্তপ্ত কাঁথিও

মমতার এই চিঠিকে কটাক্ষ করেছে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই ঘোষণা করেছেন, দেশের ১৩৫ কোটি মানুষকেই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

তাহলে বাঁচলটা কে! মুখ্যমন্ত্রী এটাও চুরি করছেন। এর আগে, চাল থেকে শুরু করে বাড়ি চুরি করেছেন। এখন টিকা চুরি করছেন। মুখ্যমন্ত্রী কি টিকা আবিষ্কার করেছেন?’

মুখ্যমন্ত্রীর টিকা চিঠি নিয়ে কটাক্ষ বাবুল সুপ্রিয়েরও, ট্যুইটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার আগেই দেশের মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। আর এখানে দেখুন দিদি তা নিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন। অসত্য কথা না বলে ওনার উচিত চাল-চুরির মতো টিকা-চুরি যাতে না হয় তা দেখা।

আগামী ১৬ জানুয়ারি, শনিবার দেশে শুরু হবে করোনার টিকাকরণ। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মী ও সামনের সারিতে থাকা করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণ হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ কবে এই টিকা পাবেন? তার কত মূল্য হবে? তা নিয়ে নানা প্রশ্ন।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে মারণ ভাইরাসের বলি হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় ২০ জন আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওসি র‌্যাঙ্কের অফিসাররাও। লকডাউনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কর্মী।

এমনকী কোভিড সংক্রমণ থেকে বাঁচতে পারেননি রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা অধিকর্তা (ডিরেক্টর সিকিউরিটিজ) বিবেক সহায়, কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মাও।

 

সুত্র: কলকাতা ২৪*৭

আরও পড়ুন ::

Back to top button